দূর্গাপুর-পুঠিয়া আসনে তরুণ ভোটারদের পছন্দ নাদিম মোস্তফা

রাজশাহী লীড

স্টাফ রিপোর্টার:
উত্তরবঙ্গের মধ্যে এক সময়ের বিএনপি’র ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত ছিলো রাজশাহী-৫ (দূর্গাপুর-পুঠিয়া) উপজেলা পরিচিত। ১৯৯৬ সালে (দূর্গাপুর-পুঠিয়া) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরে নাদিম মোস্তফা দুর্গাপুর-পুঠিয়াকে বিএনপির ঘাঁটি হিসাবে রূপান্তরিত করেন। আবারো দীর্ঘ ১২ বছর পরে আসন উদ্ধার করে আবারো বিএনপি’র ঘাঁটি বানাতে চাই বিএনপির প্রার্থী এ্যাডঃ নাদিম মোস্তফা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইতিমধ্যে ভোটের প্রচারনা শুরু হয়ে গেছে। প্রতীক পাওয়া পর থেকে প্রার্থীরা ভোটের প্রচারে মাঠে নেমে পড়েছে। রাজশাহী ৬টি আসনে ভোটের প্রচারনা শুরু হলেও রাজশাহীবাসী চোখ এবার রাজশাহী-২ ও ৫ আসনের দিকে। এ দুটি আসন আলোচনার শীর্ষে রয়েছে। রাজশাহী-৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন রাজশাহী জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নেতা এবং সাবেক সভাপতি জেলা ছাত্রদল, ও বর্ষীয়মান নেতা, এ্যাডঃ নাদিম মোস্তফা।

উত্তরবঙ্গের আনন্দোলন ও সংগ্রামী নেতা বিএনপি’র রাজপথের লড়াকু সৈনিক নাদিম মোস্তফা এ আসনে লড়ছেন। বিএনপি’র ঘাঁটি দূর্গাপুর-পুঠিয়াকে আবারো পুনরুদ্ধকার করতে আবারো বিএনপি’র ঘাঁটি বানাতে মাঠে কাজ করছেন। রাজশাহী-৫ দূর্গাপুর-পুঠিয়া মানুষের কাছে অতি পরিচিত কাছের মানুষ জননেতা এ্যাডঃ নাদিম মোস্তফা। দূর্গাপুর-পুঠিয়া বাসীর সুখে-দুঃখে সব সময় পাওয়া যায় নাদিমকে। জননেতা নাদিম মোস্তফার ধানের শীষের বিপরীতে নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোটে অংশ নিয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও ১৪ দলীয় মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মুনসুর রহমান।

দূর্গাপুর ও পুঠিয়ার তরুণ ভোটারদের সংখ্যা ৮ হাজারের মত আদমশুমারীর তথ্যমতে। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তরুণ ভোটরদের মনে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছেন জননেতা নাদিম। নাদিম মোস্তফা ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত (দূর্গাপুর-পুঠিয়ার) এমপি ছিলেন। তিনি এমপি থাকাকালীন শিক্ষা, যোগাযোগ, চিকিৎসা, কর্মসংস্থানের ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। তার ১০ বছরের আমলে যে উন্নয়ন হয়েছে সে উন্নয়ন নজর কেড়েছে দূর্গাপুর-পুঠিয়া বাসীর। ইতিবাচক উন্নয়কামী কর্মকান্ডের ক্যানভাস তরুণ প্রজন্ম ও ভোটাররা প্রতিনিয়ত তাদের আসে পাশে দেখতে পাচ্ছে। তার সময়ে (দূর্গাপুর ও পুঠিয়া) বাসীরা সব সময় কাছে পেয়ে নাদিম মোস্তফাকে। কর্মসংস্থান, চিকিৎসার ক্ষেত্রে তিনি ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। তার সময়ে চেয়ারম্যান ও মেম্বারও জনগনের সেবা করেছেন। কারন তিনি নিশ্বার্থ ভাবে প্রতিটি প্রজেক্ট দিয়েছে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের।

মসজিদ, মাদ্রসা, গোরস্থানের ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন উন্নয়নের রূপকার নাদিম মোস্তফা। মডেলে রূপান্তরিত করেছেন(দূর্গাপুর-পুঠিয়াকে) । তারপরে সে উন্নয়ন থমকে গেছে। দূর্গাপুর ও পুঠিয়ার নতুন ভোটররা বলেন, দূর্গাপুর ও পুঠিয়া শান্তির উপজেলা। (দূর্গাপুর ও পুঠিয়া) দিন দিন শিক্ষিত লোকের সংখ্যা বাড়ছে। এখানে তেমন কোন কলকারখানা গড়ে উঠেনি তাতে শিক্ষিত ও অধ্যশিক্ষিত কাজ পেতে পারে। পড়াশুনা শেষ করে চাকুরীর ব্যবস্থা করে দিতে পারে এমন একজন জনপ্রতিনিধির প্রয়োজন। শিক্ষা, যোগাযোগ, চিকিৎসা, কর্মসংস্থানের উন্নয়ন করতে পারে এমন একজন জনপ্রতিনিধিকে নির্বাচিত করবো। ১৯৮৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিএনপি’র রাজনীতের হাল ধরে আছেন এ্যাডঃ নাদিম মোস্তফা। নাদিমকে এবার আমরা জনপ্রতিনিধি করতে চাই। দূর্গাপুর-পুঠিয়া বাসীর সাথে কথা বলে জানা যায় যে, বিএনপি প্রার্থী নাদিমকে তাঁরা জনপ্রতিনিধি হিসাবে দেখতে চাই। দলমত নির্বিশেষ সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসায় এগিয়ে রয়েছেন নাদিম। পুঠিয়া উপজেলা বিএনপি’ নেতা আল মামুন বলেন, পুঠিয়ায় দলমত নির্বিশেষে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রয়েছেন নাদিম। দূর্গাপুর উপজেলার বিএনপি নেতারা বলেন, বিএনপি প্রার্থী এ্যাডঃ নাদিম মোস্তফার ধানের শীষ এগিয়ে রয়েছেন। সাধারন ভোটারা বলেন, নাদিম মোস্তফা ধানের শীষের প্রচারণা গণজোয়ার ও জন¯্রােতে রূপান্তরিত হয়েছে। আপামর জনতা নাদিমের সাথে একাত্ব ঘোষনা করেছেন। জনগন চাই উন্নয়ন, উন্নয়নকামী নেতাকেই তারা নির্বাচিত করতে চাই।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.