বঙ্গবন্ধু ইসলামের প্রচারে কাজ করে গেছেন : প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় লীড

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নবীজীর শিক্ষা অনুযায়ী চলতে হবে। আল্লাহর হুকুমে দুনিয়া চলে। গাছের পাতাও নড়েনা।

আজ সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আল-হাইয়াতুল উলয়া লিল-জামি’ আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত শোকরানা মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য এ কথা বলেন তিনি। দাওরায়ে হাদিসের মাস্টার্স সমমান স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে প্রধানমন্ত্রীকে সংবধর্না দিতে এ আয়োজন করে সংগঠনটি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সংবধর্না আমার জন্য না। এটা হবে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। ইসলাম শান্তির ধর্ম, শান্তির পথ দেখায়। তারা কেন অবহেলিত থাকবে। তাদের অবহেলিত থাকতে দেয়া যায় না।

বঙ্গবন্ধু ইসলামের প্রচারে কাজ করে গেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার কন্যা হিসেবে স্বাধীনতা অর্থবহ করা, মানুষের জন্য মৌলিক চাহিদা পূরণ করা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। সেই দায়িত্ব হিসেবে কাজ করি।

শেখ হাসিনা বলেন, কওমি মাদ্রাসার মাধ্যমেই উপমহাদেশে শিক্ষা শুরু হয়। এই শিক্ষার প্রতিষ্ঠাতারা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন করেন।

ক্ষমতাদখলকারীরা তাকে রিফ্যুউজি বানিয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কষ্টে কেটেছে জীবন। কারণ আমার বাবা অন্যদের মত টাকা কামাননি। তার হত্যার বিচারও চাইতে পারিনি। আইন করে বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো।

সরকার প্রধান বলেন, কওমি মাদ্রাসায় এতিমরা পড়ে। এর থেকে বড় কাজ আর কি হতে পারে। আপনাদের স্বীকৃতি না দিয়ে কাদের দেবো? একটা শিক্ষা তখনি পূর্ণ হয় যখন ধর্মীয় শিক্ষা সংযুক্ত হয়। এই ছেলেরা কোথায় যাবে। তাই স্বীকৃতি। স্বীকৃতি আইন দিয়ে করেছি। কেউ যেন আর বন্ধ করতে না পারে।

তিনি বলেন, ইমাম মোয়াজ্জিনদের কল্যাণ ট্রাস্ট করে দিয়েছি। তারা সুবিধা ভাতা নিতে পারেন। মসজিদে শিশু শিক্ষা করেছি। উপনুষ্ঠানিক শিক্ষা ৮০ হাজার আলেমের কর্মসংস্থান করেছি। ৫৩৬ টা মসজিদ নির্মাণ করে দিচ্ছি। এখানে ইসলামি সংস্কৃতি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। সরকার সৌদি আরবের সহায়তা পাচ্ছে এসব কাজে। বায়তুল মোকাররমে নারী পুরুষের ইবাদাতের ব্যবস্থা করেছি। দ্বিতীয়বার সরকারে এসে মসজিদটির কাজ করে দিয়েছি। দেশ এগিয়ে যাবে। দ্বীনের শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাবে।

কারোও প্রতি বিদ্বেষ নয়, সবার জন্য কল্যাণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাই যেন সুখে বসবাস করতে পারে। সারা পৃথিবীতে হানাাহানি মুসলিমদের মাঝে। এতে অস্ত্র ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়। ওআইসি ও সৌদি বাদশাকে বিষয়টি বলেছি।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.