হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ নিহত ১৮

আন্তর্জাতিক লীড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পাশের শহর ব্রোভারিতে বুধবার একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনায় ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ১৮ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২৯ জন।

এর আগে বার্তা সংস্থা ডয়েচে ভেলে জানিয়েছিল, সেখানে শিশুদের একটি স্কুল আছে। নিহতদের মধ্যে দুইজন শিশুও রয়েছে। কি কারণে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেনিস মোনাস্তিরস্কি ছাড়াও স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রীও প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। এছাড়া ওই হেলিকপ্টারটিতে ইউক্রেনের আরও ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা ছিলেন।

পুলিশ বলেছে, ‘১৮ জানুয়ারি সকালে জরুরি পরিষেবা সংস্থার একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। এতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, উপমন্ত্রী এবং স্টেট সেক্রেটারি নিহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে ১৮ জন নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে দু’জন শিশু রয়েছে। হেলিকপ্টারটিতে ৯ জন আরোহী ছিলেন। আহত হয়ে ১৫ শিশুসহ ২৯ জন হাসপাতালে আছেন।’

দুর্ঘটনার সময় ওই এলাকার আকাশ অন্ধকার ও কুয়াশাচ্ছন্ন ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, হেলিকপ্টারটি প্রথমে শিশুদের স্কুলের ওপর আছড়ে পড়ে। এরপর এটি পাশের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। কিয়েভের আঞ্চলিক গভর্নর ওলেক্সি কুলেবা টেলিগ্রামে বলেছেন, ‘ব্রোভারিতে শিশুদের একটি স্কুল এবং আবাসিক ভবনের পাশে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে।’

‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে দুর্ঘটনার সময় স্কুলটিতে শিশু ও কর্মকর্তারা ছিলেন। তবে পরবর্তীতে তাদের সবাইকে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।’ কুলেবা আরও বলেছেন, ‘দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।’ তবে এ সংখ্যাটি কত সেটি জানাননি তিনি।

এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট দপ্তরের উপপ্রধান কাইরাইলো তাইমোশেঙ্কো টুইটে জানান, একটি ‘সামাজিক অবকাঠামো’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘পরিস্থিতি এবং হতাহতের সংখ্যা জানতে আমরা তথ্য সংগ্রহ করছি।’

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, একটি ভবনে আগুন জ্বলছে আর মানুষ চিৎকার করছেন।

এদিকে হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের সময় ওই এলাকায় রাশিয়ার কোনো ধরনের হামলার খবর পাওয়া যায়নি।

স্ব.বা/বা

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *