গ্রেফতারের তালিকায় ১০৪ নেতা

জাতীয়
স্বদেশ বাণী ডেস্ক:আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকায় রয়েছেন বিএনপি ও ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ ১০৪ নেতা। তাদের ধরতে শুরু হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান। ইতোমধ্যে ধরা পড়েছেন ৪৯ জন। এর মধ্যে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে ৪৭ জনকে।
সোমবার গোয়েন্দা জালে আটকা পড়েন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্যসচিব মোস্তাফিজুর রহমান রুমি ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।
সম্প্রতি শেরেবাংলা নগরের চন্দ্রিমা উদ্যান এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের সময় রুমিকে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করতে দেখা যায়।
ভাঙচুরের ওই ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, এ মুহূর্তে বিএনপি ও ছাত্রদলের যেসব নেতা গ্রেফতারের তালিকায় আছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন-নবগঠিত মহানগর কমিটির নেতা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, আমিনুল হক, রফিকুল আলম মজনু, বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, সাবেক দুই মেয়র প্রার্থী, তাবিথ আওয়াল, ইশরাক হোসেন প্রমুখ। তারা সবাই শেরেবাংলা নগর থানার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানে আলম মুন্সি যুগান্তরকে বলেন, চন্দ্রিমা উদ্যানে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ দুটি মামলা করে। পাশাপাশি পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করে।
মামলায় ১৫৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে আমরা এ পর্যন্ত ৪৭ জনকে গ্রেফতার করেছি। ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে দুজনকে। বাকিরা হাতের নাগালেই আছে। তারা শিগগিরই ধরা পড়বে। আসামিদের ধরতে আমাদের সাঁড়াশি অভিযান শুরু হচ্ছে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর থেকে বিএনপির বড় ধরনের কোনো কর্মসূচি চোখে পড়েনি। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি গঠনের পর ১৭ আগস্ট তারা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। কিন্তু অনুমতি না থাকায় পুলিশ তাদের বাধা দেয়।
এরপর চন্দ্রিমা উদ্যানে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে ৭০-৮০ জন নেতাকর্মী আহত হন বলে দাবি বিএনপির। একই ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।
সংঘর্ষের সময় মেট্রোরেল প্রজেক্টের গাড়ি ও অফিস এবং পুলিশের দুটি গাড়িতেও ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৮৭ রাউন্ড গুলি এবং ১৮টি টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে। পরদিন ৪৭ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
অন্যদের ধরতে মাঠে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্যসচিব মোস্তাফিজুর রহমান রুমির একটি ছবি ভাইরাল হয়। ছবিতে দেখা যায়, একটি বাঁশ হাতে রুমি পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করছেন।
ওই ছবি ভাইরাল হওয়ার পর সোমবার ডিএমপি সদর দপ্তরে গোয়েন্দাদের ডেকে পাঠানো হয়। সেখান থেকে সবাইকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন কমিশনার।
এরপর অভিযান চালিয়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল ও রুমিকে যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও জোন।
এ বিষয়ে গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার শাহাদাত হোসেন সুমা যুগান্তরকে বলেন, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় গ্রেফতার রুমি ও জুয়েলকে মঙ্গলবার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
থানা পুলিশ তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। অন্য আসামিরা নজরদারিতে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারাও যে কোনো সময় গ্রেফতার হতে পারেন।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আরও যেসব নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে তাদের মধ্যে রয়েছেন-গুলশানের আব্দুল আলী নকি, তেজগাঁওয়ের আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মোহাম্মদপুরের আতিকুল ইসলাম মতিন, বিমানবন্দরের মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, সাবেক কমিশনার ফেরদৌসি আহম্মেদ মিষ্টি, কাফরুলের মোয়াজ্জেম হোসেন মতিন, ভাটারার আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, খিলক্ষেতের আক্তার হোসেন, তুরাগের গোলাম মোস্তফা, রামপুরার ফয়েজ আহম্মেদ, খিলক্ষেতের শাহিদুর আলম মারফত, আদাবরের আবুল হাসেম, বাড্ডার মাহফুজুর রহমান, বিমানবন্দরের আলাউদ্দিন সরকার টিপু, উত্তরা পশ্চিমের হাফিজুর রহমান ছাগির, মোহাম্মদপুরের সোহেল রহমান, আদাবরের অ্যাডভোকেট মো. আক্তারুজ্জামান, মিরপুরের আবুল হোসেন আব্দুল, শেরেবাংলা নগরের মো. শাহ আলম, তেজগাঁওয়ের এল রহমান, উত্তরা পশ্চিমের আফাজ উদ্দিন, উত্তরখানের আহসান হাবীব মোল্লা, উত্তরা পূর্বের সালাম সরকার, ভাষানটেকের গোলাম কিবরিয়া মাখন, ক্যান্টনমেন্টের তারিকুল ইসলাম তালুকদার, মোহাম্মদপুরের হাজি মোহাম্মদ ইউসুফ, দক্ষিণখানের আলী আকবর আলী, কাফরুলের আহসান উল্লা চৌধুরী হাসান, বনানীর মিজানুর রহমান বাচ্চু, শাহ আলীর হুমায়ন কবির রওশন, রূপনগরের অমজাদ হোসেল মোল্লা, বনানীর রেজাউল রহমান, পল্লবীর মাহবুব আলম মন্টু, দারুসসালামের হাফিজুর রহমান শুভ্র, বাড্ডার জাহাঙ্গীর মোল্লা, ভাটারার আজহারুল ইসলাম সেলিম, গুলশানের শফিকুল ইসলাম শাহিন, শেরেবাংলা নগরের আফতাব উদ্দিন জসিম, শাহ আলীর মো. হানিফ মিয়া, শিল্পাঞ্চলের মো. মোজাম্মেল হোসেন সেলিম, মিরপুরের জিয়াউর রহমান জিয়া, যাত্রাবাড়ীর নবী উল্লাহ নবী, খিলগাঁওয়ের ইউনুস মৃধা, কোতোয়ালির মো. মোহন, লালবাগের মোশারফ হোসেন খোকন, সূত্রাপুরের আব্দুস সাত্তার, কলাবাগানের সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, শ্যামপুরের আনম সাইফুল ইসলাম, মতিঝিলের হারুনর রশিদ হারুন, কদমতলীর তানভীর আহম্মেদ রবিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের লিটন মাহমুদ, পল্টনের এসকে সেকান্দার কাদির, কামরাঙ্গীরচরের মনীর হোসেন চেয়ারম্যান, পুরান ঢাকার ইশরাক হোসেন, সূত্রাপুরের ফরিদ উদ্দিন, সবুজবাগের গোলাম হোসেন, গোপীবাগের সাব্বির হোসেন আরিফ, খিলগাঁওয়ের ফরুকুল ইসলাম, গেণ্ডারিয়ার মকবুল হোসেন টিপু, শাহবাগের আব্দুল হান্নান, বংশালের আরিফুল রহমান নাদিম, চকবাজারের আনোয়ার হোসেন বাদল, ধানমন্ডির কেএম জুবায়ের এজাজ, যাত্রাবাড়ীর ফারহান হোসেন, বংশালের লতিফ উল্লাহ জাফরুল, নিউমার্কেটের মকবুল হোসেন সরদার, মুগদার মোহাম্মদ আলী চায়না, হাজারীবাগের আব্দুল আজীজ, যুবদলের জামিলুর রহমান নয়ন, চকবাজারের হাজি শহিদুল ইসলাম বাবুল, ডেমরার আকবর হোসেন নান্টু, মুগদার শামসুল হুদা কাজল, দপ্তরের সাইদুল ইসলাম মিন্টু, পল্টনের এসএম আব্বাস, লোকমান হোসেন ফকির, দনিয়ার জুম্মান হোসেন, শাহজানপুরের ফজলে রুবায়েত পাপ্পু, ডেমরার আবদুল হাই পল্লব, অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন, ছাত্রদলের আরিফা সুলতানা রুমা, ছাত্রদলের সাইফুল্লাহ খালেদ রাজন, গেণ্ডারিয়ার ওমর নাবী বাবু, হাজারীবাগের আবুল খায়ের লিটন, নাছরিন রশিদ পুতুল (কাউন্সিলর), ছাত্রদলের নাদিয়া পাঠান পাপান, কোতোয়ালির হাজি নাজিম, নিউমার্কেটের জাহাঙ্গীর হোসেন পাটোয়ারী, যাত্রাবাড়ীর জামশেদুল আলম শ্যামল, উত্তর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জামিম শিকদার রানা, উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল বাবু, উত্তর যুবদলের শরিফ উদ্দিন জুয়েল, উত্তর যুবদলের বজলুর পাশা পাপেল, মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাইফুল ইসলাম কাজল, রাজীব আহমেদ আরিফুর রহমান এমদাদ, পূর্ব ছাত্রদলের নাইম আবেদিন, রাজীব পাটোয়ারি, তিতুমীর কলেজের সোহাগ মোল্লা ও উত্তর ছাত্রদলের জিয়াউল হক মোল্লা।
ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ দুজন রিমান্ডে : চন্দ্রিমা উদ্যানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মামলায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ দুজনের দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসী রিমান্ডের এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন-ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান রুমি।
এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের সাতদিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. সুজানুর রহমান।
অপরদিকে আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুলিশের অনুমতি নিয়েই গিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ গায়ের জোরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
এছাড়া তাদের ঘটনাস্থল থেকেও গ্রেফতার করা হয়নি। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে রিমান্ডের ওই আদেশ দেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকায় রয়েছেন বিএনপি ও ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ ১০৪ নেতা। তাদের ধরতে শুরু হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান। ইতোমধ্যে ধরা পড়েছেন ৪৯ জন। এর মধ্যে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে ৪৭ জনকে।

সোমবার গোয়েন্দা জালে আটকা পড়েন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্যসচিব মোস্তাফিজুর রহমান রুমি ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।
সম্প্রতি শেরেবাংলা নগরের চন্দ্রিমা উদ্যান এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের সময় রুমিকে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করতে দেখা যায়।
ভাঙচুরের ওই ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, এ মুহূর্তে বিএনপি ও ছাত্রদলের যেসব নেতা গ্রেফতারের তালিকায় আছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন-নবগঠিত মহানগর কমিটির নেতা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, আমিনুল হক, রফিকুল আলম মজনু, বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, সাবেক দুই মেয়র প্রার্থী, তাবিথ আওয়াল, ইশরাক হোসেন প্রমুখ। তারা সবাই শেরেবাংলা নগর থানার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানে আলম মুন্সি যুগান্তরকে বলেন, চন্দ্রিমা উদ্যানে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ দুটি মামলা করে। পাশাপাশি পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করে।
মামলায় ১৫৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে আমরা এ পর্যন্ত ৪৭ জনকে গ্রেফতার করেছি। ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে দুজনকে। বাকিরা হাতের নাগালেই আছে। তারা শিগগিরই ধরা পড়বে। আসামিদের ধরতে আমাদের সাঁড়াশি অভিযান শুরু হচ্ছে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর থেকে বিএনপির বড় ধরনের কোনো কর্মসূচি চোখে পড়েনি। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি গঠনের পর ১৭ আগস্ট তারা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। কিন্তু অনুমতি না থাকায় পুলিশ তাদের বাধা দেয়।
এরপর চন্দ্রিমা উদ্যানে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে ৭০-৮০ জন নেতাকর্মী আহত হন বলে দাবি বিএনপির। একই ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।
সংঘর্ষের সময় মেট্রোরেল প্রজেক্টের গাড়ি ও অফিস এবং পুলিশের দুটি গাড়িতেও ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৮৭ রাউন্ড গুলি এবং ১৮টি টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে। পরদিন ৪৭ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
অন্যদের ধরতে মাঠে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্যসচিব মোস্তাফিজুর রহমান রুমির একটি ছবি ভাইরাল হয়। ছবিতে দেখা যায়, একটি বাঁশ হাতে রুমি পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করছেন।
ওই ছবি ভাইরাল হওয়ার পর সোমবার ডিএমপি সদর দপ্তরে গোয়েন্দাদের ডেকে পাঠানো হয়। সেখান থেকে সবাইকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন কমিশনার।
এরপর অভিযান চালিয়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল ও রুমিকে যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও জোন।
এ বিষয়ে গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার শাহাদাত হোসেন সুমা যুগান্তরকে বলেন, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় গ্রেফতার রুমি ও জুয়েলকে মঙ্গলবার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
থানা পুলিশ তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। অন্য আসামিরা নজরদারিতে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারাও যে কোনো সময় গ্রেফতার হতে পারেন।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আরও যেসব নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে তাদের মধ্যে রয়েছেন-গুলশানের আব্দুল আলী নকি, তেজগাঁওয়ের আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মোহাম্মদপুরের আতিকুল ইসলাম মতিন, বিমানবন্দরের মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, সাবেক কমিশনার ফেরদৌসি আহম্মেদ মিষ্টি, কাফরুলের মোয়াজ্জেম হোসেন মতিন, ভাটারার আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, খিলক্ষেতের আক্তার হোসেন, তুরাগের গোলাম মোস্তফা, রামপুরার ফয়েজ আহম্মেদ, খিলক্ষেতের শাহিদুর আলম মারফত, আদাবরের আবুল হাসেম, বাড্ডার মাহফুজুর রহমান, বিমানবন্দরের আলাউদ্দিন সরকার টিপু, উত্তরা পশ্চিমের হাফিজুর রহমান ছাগির, মোহাম্মদপুরের সোহেল রহমান, আদাবরের অ্যাডভোকেট মো. আক্তারুজ্জামান, মিরপুরের আবুল হোসেন আব্দুল, শেরেবাংলা নগরের মো. শাহ আলম, তেজগাঁওয়ের এল রহমান, উত্তরা পশ্চিমের আফাজ উদ্দিন, উত্তরখানের আহসান হাবীব মোল্লা, উত্তরা পূর্বের সালাম সরকার, ভাষানটেকের গোলাম কিবরিয়া মাখন, ক্যান্টনমেন্টের তারিকুল ইসলাম তালুকদার, মোহাম্মদপুরের হাজি মোহাম্মদ ইউসুফ, দক্ষিণখানের আলী আকবর আলী, কাফরুলের আহসান উল্লা চৌধুরী হাসান, বনানীর মিজানুর রহমান বাচ্চু, শাহ আলীর হুমায়ন কবির রওশন, রূপনগরের অমজাদ হোসেল মোল্লা, বনানীর রেজাউল রহমান, পল্লবীর মাহবুব আলম মন্টু, দারুসসালামের হাফিজুর রহমান শুভ্র, বাড্ডার জাহাঙ্গীর মোল্লা, ভাটারার আজহারুল ইসলাম সেলিম, গুলশানের শফিকুল ইসলাম শাহিন, শেরেবাংলা নগরের আফতাব উদ্দিন জসিম, শাহ আলীর মো. হানিফ মিয়া, শিল্পাঞ্চলের মো. মোজাম্মেল হোসেন সেলিম, মিরপুরের জিয়াউর রহমান জিয়া, যাত্রাবাড়ীর নবী উল্লাহ নবী, খিলগাঁওয়ের ইউনুস মৃধা, কোতোয়ালির মো. মোহন, লালবাগের মোশারফ হোসেন খোকন, সূত্রাপুরের আব্দুস সাত্তার, কলাবাগানের সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, শ্যামপুরের আনম সাইফুল ইসলাম, মতিঝিলের হারুনর রশিদ হারুন, কদমতলীর তানভীর আহম্মেদ রবিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের লিটন মাহমুদ, পল্টনের এসকে সেকান্দার কাদির, কামরাঙ্গীরচরের মনীর হোসেন চেয়ারম্যান, পুরান ঢাকার ইশরাক হোসেন, সূত্রাপুরের ফরিদ উদ্দিন, সবুজবাগের গোলাম হোসেন, গোপীবাগের সাব্বির হোসেন আরিফ, খিলগাঁওয়ের ফরুকুল ইসলাম, গেণ্ডারিয়ার মকবুল হোসেন টিপু, শাহবাগের আব্দুল হান্নান, বংশালের আরিফুল রহমান নাদিম, চকবাজারের আনোয়ার হোসেন বাদল, ধানমন্ডির কেএম জুবায়ের এজাজ, যাত্রাবাড়ীর ফারহান হোসেন, বংশালের লতিফ উল্লাহ জাফরুল, নিউমার্কেটের মকবুল হোসেন সরদার, মুগদার মোহাম্মদ আলী চায়না, হাজারীবাগের আব্দুল আজীজ, যুবদলের জামিলুর রহমান নয়ন, চকবাজারের হাজি শহিদুল ইসলাম বাবুল, ডেমরার আকবর হোসেন নান্টু, মুগদার শামসুল হুদা কাজল, দপ্তরের সাইদুল ইসলাম মিন্টু, পল্টনের এসএম আব্বাস, লোকমান হোসেন ফকির, দনিয়ার জুম্মান হোসেন, শাহজানপুরের ফজলে রুবায়েত পাপ্পু, ডেমরার আবদুল হাই পল্লব, অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন, ছাত্রদলের আরিফা সুলতানা রুমা, ছাত্রদলের সাইফুল্লাহ খালেদ রাজন, গেণ্ডারিয়ার ওমর নাবী বাবু, হাজারীবাগের আবুল খায়ের লিটন, নাছরিন রশিদ পুতুল (কাউন্সিলর), ছাত্রদলের নাদিয়া পাঠান পাপান, কোতোয়ালির হাজি নাজিম, নিউমার্কেটের জাহাঙ্গীর হোসেন পাটোয়ারী, যাত্রাবাড়ীর জামশেদুল আলম শ্যামল, উত্তর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জামিম শিকদার রানা, উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল বাবু, উত্তর যুবদলের শরিফ উদ্দিন জুয়েল, উত্তর যুবদলের বজলুর পাশা পাপেল, মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাইফুল ইসলাম কাজল, রাজীব আহমেদ আরিফুর রহমান এমদাদ, পূর্ব ছাত্রদলের নাইম আবেদিন, রাজীব পাটোয়ারি, তিতুমীর কলেজের সোহাগ মোল্লা ও উত্তর ছাত্রদলের জিয়াউল হক মোল্লা।
ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ দুজন রিমান্ডে : চন্দ্রিমা উদ্যানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মামলায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ দুজনের দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসী রিমান্ডের এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন-ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান রুমি।
এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের সাতদিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. সুজানুর রহমান।
অপরদিকে আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুলিশের অনুমতি নিয়েই গিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ গায়ের জোরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
এছাড়া তাদের ঘটনাস্থল থেকেও গ্রেফতার করা হয়নি। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে রিমান্ডের ওই আদেশ দেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকায় রয়েছেন বিএনপি ও ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ ১০৪ নেতা। তাদের ধরতে শুরু হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান। ইতোমধ্যে ধরা পড়েছেন ৪৯ জন। এর মধ্যে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে ৪৭ জনকে।

সোমবার গোয়েন্দা জালে আটকা পড়েন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্যসচিব মোস্তাফিজুর রহমান রুমি ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।
সম্প্রতি শেরেবাংলা নগরের চন্দ্রিমা উদ্যান এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের সময় রুমিকে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করতে দেখা যায়।
ভাঙচুরের ওই ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, এ মুহূর্তে বিএনপি ও ছাত্রদলের যেসব নেতা গ্রেফতারের তালিকায় আছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন-নবগঠিত মহানগর কমিটির নেতা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, আমিনুল হক, রফিকুল আলম মজনু, বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, সাবেক দুই মেয়র প্রার্থী, তাবিথ আওয়াল, ইশরাক হোসেন প্রমুখ। তারা সবাই শেরেবাংলা নগর থানার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানে আলম মুন্সি যুগান্তরকে বলেন, চন্দ্রিমা উদ্যানে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ দুটি মামলা করে। পাশাপাশি পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করে।
মামলায় ১৫৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে আমরা এ পর্যন্ত ৪৭ জনকে গ্রেফতার করেছি। ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে দুজনকে। বাকিরা হাতের নাগালেই আছে। তারা শিগগিরই ধরা পড়বে। আসামিদের ধরতে আমাদের সাঁড়াশি অভিযান শুরু হচ্ছে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর থেকে বিএনপির বড় ধরনের কোনো কর্মসূচি চোখে পড়েনি। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি গঠনের পর ১৭ আগস্ট তারা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। কিন্তু অনুমতি না থাকায় পুলিশ তাদের বাধা দেয়।
এরপর চন্দ্রিমা উদ্যানে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে ৭০-৮০ জন নেতাকর্মী আহত হন বলে দাবি বিএনপির। একই ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।
সংঘর্ষের সময় মেট্রোরেল প্রজেক্টের গাড়ি ও অফিস এবং পুলিশের দুটি গাড়িতেও ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৮৭ রাউন্ড গুলি এবং ১৮টি টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে। পরদিন ৪৭ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
অন্যদের ধরতে মাঠে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্যসচিব মোস্তাফিজুর রহমান রুমির একটি ছবি ভাইরাল হয়। ছবিতে দেখা যায়, একটি বাঁশ হাতে রুমি পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করছেন।
ওই ছবি ভাইরাল হওয়ার পর সোমবার ডিএমপি সদর দপ্তরে গোয়েন্দাদের ডেকে পাঠানো হয়। সেখান থেকে সবাইকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন কমিশনার।
এরপর অভিযান চালিয়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল ও রুমিকে যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও জোন।
এ বিষয়ে গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার শাহাদাত হোসেন সুমা যুগান্তরকে বলেন, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় গ্রেফতার রুমি ও জুয়েলকে মঙ্গলবার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
থানা পুলিশ তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। অন্য আসামিরা নজরদারিতে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারাও যে কোনো সময় গ্রেফতার হতে পারেন।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আরও যেসব নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে তাদের মধ্যে রয়েছেন-গুলশানের আব্দুল আলী নকি, তেজগাঁওয়ের আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মোহাম্মদপুরের আতিকুল ইসলাম মতিন, বিমানবন্দরের মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, সাবেক কমিশনার ফেরদৌসি আহম্মেদ মিষ্টি, কাফরুলের মোয়াজ্জেম হোসেন মতিন, ভাটারার আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, খিলক্ষেতের আক্তার হোসেন, তুরাগের গোলাম মোস্তফা, রামপুরার ফয়েজ আহম্মেদ, খিলক্ষেতের শাহিদুর আলম মারফত, আদাবরের আবুল হাসেম, বাড্ডার মাহফুজুর রহমান, বিমানবন্দরের আলাউদ্দিন সরকার টিপু, উত্তরা পশ্চিমের হাফিজুর রহমান ছাগির, মোহাম্মদপুরের সোহেল রহমান, আদাবরের অ্যাডভোকেট মো. আক্তারুজ্জামান, মিরপুরের আবুল হোসেন আব্দুল, শেরেবাংলা নগরের মো. শাহ আলম, তেজগাঁওয়ের এল রহমান, উত্তরা পশ্চিমের আফাজ উদ্দিন, উত্তরখানের আহসান হাবীব মোল্লা, উত্তরা পূর্বের সালাম সরকার, ভাষানটেকের গোলাম কিবরিয়া মাখন, ক্যান্টনমেন্টের তারিকুল ইসলাম তালুকদার, মোহাম্মদপুরের হাজি মোহাম্মদ ইউসুফ, দক্ষিণখানের আলী আকবর আলী, কাফরুলের আহসান উল্লা চৌধুরী হাসান, বনানীর মিজানুর রহমান বাচ্চু, শাহ আলীর হুমায়ন কবির রওশন, রূপনগরের অমজাদ হোসেল মোল্লা, বনানীর রেজাউল রহমান, পল্লবীর মাহবুব আলম মন্টু, দারুসসালামের হাফিজুর রহমান শুভ্র, বাড্ডার জাহাঙ্গীর মোল্লা, ভাটারার আজহারুল ইসলাম সেলিম, গুলশানের শফিকুল ইসলাম শাহিন, শেরেবাংলা নগরের আফতাব উদ্দিন জসিম, শাহ আলীর মো. হানিফ মিয়া, শিল্পাঞ্চলের মো. মোজাম্মেল হোসেন সেলিম, মিরপুরের জিয়াউর রহমান জিয়া, যাত্রাবাড়ীর নবী উল্লাহ নবী, খিলগাঁওয়ের ইউনুস মৃধা, কোতোয়ালির মো. মোহন, লালবাগের মোশারফ হোসেন খোকন, সূত্রাপুরের আব্দুস সাত্তার, কলাবাগানের সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, শ্যামপুরের আনম সাইফুল ইসলাম, মতিঝিলের হারুনর রশিদ হারুন, কদমতলীর তানভীর আহম্মেদ রবিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের লিটন মাহমুদ, পল্টনের এসকে সেকান্দার কাদির, কামরাঙ্গীরচরের মনীর হোসেন চেয়ারম্যান, পুরান ঢাকার ইশরাক হোসেন, সূত্রাপুরের ফরিদ উদ্দিন, সবুজবাগের গোলাম হোসেন, গোপীবাগের সাব্বির হোসেন আরিফ, খিলগাঁওয়ের ফরুকুল ইসলাম, গেণ্ডারিয়ার মকবুল হোসেন টিপু, শাহবাগের আব্দুল হান্নান, বংশালের আরিফুল রহমান নাদিম, চকবাজারের আনোয়ার হোসেন বাদল, ধানমন্ডির কেএম জুবায়ের এজাজ, যাত্রাবাড়ীর ফারহান হোসেন, বংশালের লতিফ উল্লাহ জাফরুল, নিউমার্কেটের মকবুল হোসেন সরদার, মুগদার মোহাম্মদ আলী চায়না, হাজারীবাগের আব্দুল আজীজ, যুবদলের জামিলুর রহমান নয়ন, চকবাজারের হাজি শহিদুল ইসলাম বাবুল, ডেমরার আকবর হোসেন নান্টু, মুগদার শামসুল হুদা কাজল, দপ্তরের সাইদুল ইসলাম মিন্টু, পল্টনের এসএম আব্বাস, লোকমান হোসেন ফকির, দনিয়ার জুম্মান হোসেন, শাহজানপুরের ফজলে রুবায়েত পাপ্পু, ডেমরার আবদুল হাই পল্লব, অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন, ছাত্রদলের আরিফা সুলতানা রুমা, ছাত্রদলের সাইফুল্লাহ খালেদ রাজন, গেণ্ডারিয়ার ওমর নাবী বাবু, হাজারীবাগের আবুল খায়ের লিটন, নাছরিন রশিদ পুতুল (কাউন্সিলর), ছাত্রদলের নাদিয়া পাঠান পাপান, কোতোয়ালির হাজি নাজিম, নিউমার্কেটের জাহাঙ্গীর হোসেন পাটোয়ারী, যাত্রাবাড়ীর জামশেদুল আলম শ্যামল, উত্তর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জামিম শিকদার রানা, উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল বাবু, উত্তর যুবদলের শরিফ উদ্দিন জুয়েল, উত্তর যুবদলের বজলুর পাশা পাপেল, মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাইফুল ইসলাম কাজল, রাজীব আহমেদ আরিফুর রহমান এমদাদ, পূর্ব ছাত্রদলের নাইম আবেদিন, রাজীব পাটোয়ারি, তিতুমীর কলেজের সোহাগ মোল্লা ও উত্তর ছাত্রদলের জিয়াউল হক মোল্লা।
ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ দুজন রিমান্ডে : চন্দ্রিমা উদ্যানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মামলায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ দুজনের দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসী রিমান্ডের এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন-ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান রুমি।
এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের সাতদিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. সুজানুর রহমান।
অপরদিকে আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুলিশের অনুমতি নিয়েই গিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ গায়ের জোরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
এছাড়া তাদের ঘটনাস্থল থেকেও গ্রেফতার করা হয়নি। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে রিমান্ডের ওই আদেশ দেন।
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *