কেশবপুরের মেয়র রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে পৌর কাউন্সিলদের সংবাদ সম্মেলন

জাতীয়

এস আর সাঈদ, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ।

কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে মঙ্গলবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে পৌরসভার প্যানেল মেয়র মনোয়ার হোসেন মিন্টু স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্য পাঠ কালে পৌর কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক বি এম শহিদুজ্জামান শহিদ বলেন, কেশবপুর পৌরসভার ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজে ঈশ^ান্বিত হয়ে একটি চক্র পৌরসভার ২য় বার বিপুল ভোটে নির্বাচিত পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম ও পৌরসভার ভাবমুর্তি নষ্ট করার জন্য অপতৎপরতায় লিপ্ত আছে।

কেশবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক খন্দকার আব্দুল আজিজ পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোটেশন করে টাকা উত্তোলন ও মাসিক মিটিং না করা, করোনাকালিন বরাদ্দ সঠিকভাবে বন্টন না করা, হাটবাজারসহ অন্যান্য খাতের টাকা অনিয়ম, আর্থিক সাহায্য প্রদানের নামে আত্মসাত, এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম, ডিজিটাল স্ক্রীন স্থাপনে অনিয়ম, কিশোর গ্যাং লালন পালন, পৌরসভায় জনবল নিয়োগ ও টিআর প্রকল্পের অনিয়মসহ ১৩টি অভিযোগ এনে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর-সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করেছেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, মেয়রকে পিপিআর ২০০৬ ও ২০০৮ এর তফশীল-২ এর ৬৯ (১) এবং ৬ এর ক ও গ অনুযায়ী কোটেশন করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। তারপরও তিনি নিয়মিতভাবে মাসিক মিটিং করেন এবং মিটিং এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোটেশনসহ অন্যান্য যাবতীয় উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকেন। এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের নিয়মানুযায়ী প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইজিপি পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করা হয়। এরপর সিপিটিইউ কেন্দ্রীয়ভাবে লটারীর মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ করেন। কেশবপুরে কিশোর গ্যাং বলে কিছু আছে কি না তিনি জানেন না। মেয়র রফিকুল ইসলামের দায়িত্বকালে পৌরসভায় কোন স্থায়ী জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। যে কারণে খন্দকার আব্দুল আজিজের বিভিন্ন দপ্তরে দেয়া অভিযোগের কোন সত্যতা নেই।

এ ব্যাপারে পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার দায়িত্বকালের মধ্যে মাসিক মিটিং এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে থাকি। এতে আমার কোন নিজস্ব মতামত থাকে না। আমার উন্নয়ন কর্মকান্ড ও জনপ্রিয়তায় ঈর্ষাম্বিত হয়ে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করতে খন্দকার আব্দুল আজিজ বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করে চলেছে।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পৌরকাউন্সিলর বৃন্দ পৌর মেয়র রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র না করার জন্য এবং পৌরসভার ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার অপতৎপরতা থেকে বিরত থাকার জন্য খন্দকার আজিজের প্রতি আহŸান জানান।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *