দুই জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোর ও নারীর মৃত্যু

জাতীয়

স্বদেশবাণী ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও ও টাঙ্গাইলে দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ১৭ বছরের এক কিশোর মেকানিক ও ৩৭ বছরের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ও দুপুরের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি জানান, জেলার বালিয়াডাঙ্গীতে দ্রুত গতিতে চলা একটি ট্রাক্টর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে দুলাল চন্দ্র রায় (১৭) নামে এক কিশোর মেকানিকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বালিয়াডাঙ্গী-ঠাকুরগাঁও মহাসড়কের দুওসুও পেট্রলপাম্প সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃত দুলাল চন্দ্র রায় উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের জাউনিয়া মালিপাড়া গ্রামের হরজীবন সিংহের ছেলে। সে ট্রাক্টরসহ অন্যান্য গাড়ি মেরামতের কাজ করত।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ট্রাক্টরটি মেরামত শেষে কিশোর দুলাল নিজেই সেটি চালিয়ে দেখার জন্য দ্রুত গতিতে বালিয়াডাঙ্গী-ঠাকুরগাঁও মহাসড়কের দুওসুও পেট্রলপাম্প এলাকায় যায়। সেখানেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক্টরটিসহ খাদে পড়ে গেলে পানিতে ডুবে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বালিয়াডাঙ্গী থানার উপপরিদর্শক আব্দুস সোবহান বলেন, ‘কিশোর দুলাল স্থানীয় একটি গ্যারেজে গাড়ি মেরামতের কাজ শিখছিল। কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় নিহতের মরদেহ সৎকারের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে টাঙ্গাইল প্রতিনিধি জানান, জেলার নাগরপুরে বেপরোয়া গতির এক মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বাসন্তী সরকার (৩৭) নামে এক নারী ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।

শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে ধামরাইয়ের আটি গ্রামের অরুন সরকারের স্ত্রী বাসন্তী সরকার স্বামী ও ছেলের সঙ্গে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের বরটিয়া গ্রামে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসার সময় মেঘনা-নাগরপুর সড়কের দক্ষিণ নাগরপুর নামক স্থানে বেপরোয়া গতির ওই মোটরসাইকেলের চাপায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

এলাকাবাসী দ্রুত উদ্ধার করে সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে এলাকাবাসী মোটরসাইকেলসহ চালককে আটক করতে চাইলে চালক ও প্যাসেঞ্জার বাইক রেখেই পালিয়ে যায়। পরে নাগরপুর থানা পুলিশ এসে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *