তানোরে চাকরিচ্যুৎ যুবকের আত্নহত্যার চেস্টা দায় নিবে কে-?

রাজশাহী

তানোর প্রতিনিধি: রাজশাহীর তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুন্ডুমালা পৌরসভার সাবেক মেয়র গোলাম রাব্বানীকে তিন লাখ টাকা দিয়ে নিঃস্ব যুবক বিষপানে আত্মহত্যার চেস্টা করে হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সঙ্গে পান্জা লড়ছে। এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃস্টি হয়েছে উঠেছে সমালোচনার ঝড়, অভিযুক্তদের দৃস্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে গ্রামবাসি বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।

জানা গেছে, মুন্ডুমালা পৌরসভার প্রকাশ নগর গ্রামের বাসিন্দা আবু বাক্কারের পুত্র রয়েল ইসলাম (৩০) প্রায় ১০ বছর পুর্বে পৌরসভায় চাকিরর জন্য ভিটে বাড়ি বিক্রি করে তিন লাখ টাকা মেয়র গোলাম রাব্বানীর হাতে তুলে দেন। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হবার পরেও চাকরি না পেয়ে পরিবারসহ পথে বসেছে। অবশেষে দু’চার বছর আগে রয়েলকে কথিত (মৌখিক) মাস্টার রোল কর্মচারি হিসেবে ইলেক্ট্রিক পদে  নিয়োগ করেন। এদিকে প্রায় দেড় বছর ধরে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বকেয়া রয়েছে তিনিও একটি টাকাও পাননি। সম্প্রতি ৩০ জানুয়ারী মুন্ডুমালা পৌরসভা নির্বাচনে রয়েল নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন।
কিন্ত্ত নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী সাইদুর রহমান বিজয়ী হয়।এদিকে সাইদুর রহমান মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের পর নৌর পক্ষে ভোট করার অপরাধে রয়েলকে চাকরিচ্যুত করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৫ মার্চ শুক্রবার তিনি গোলাম রাব্বানীর কাছে তিন লাখ টাকা ফেরত চাইলে টাকা ফেরত না দিয়ে লাঞ্চিত করে।এদিকে এই আঘাত সইতে না পেরে রয়েল বাড়ি ফিরে বিষপানে আত্মহত্যার চেস্টা করে। এ সময় তার স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে তানোর হাসপালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান রয়েলের অবস্থা এখানো আশঙ্কাজনক। অপরদিকে রয়েলের পরিবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সাংসদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম রাব্বানী বলেন, তাকে মাস্টার রোলে চাকরি দিয়ে ছিলাম, তিন বছর সে অফিস না করলেও তাকে বেতন দিয়েছি।কিন্ত্ত সে মাদকাসক্ত হয়ে কখন কি করে নিজেই জানে না। তিনি বলেন, বর্তমান মেয়র তাকে চাকরিচ্যুৎ করলে তার করনীয় কি-?। এবিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও মেয়র সাইদুর রহমানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *