রাজশাহীর বাঘায় চুলার আগুন থেকে চারটি বাড়ি পুড়ে ছাই  

রাজশাহী

বাঘা প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের মহদীপুর নতুনপাড়া গ্রামে রান্নার চুলা থেকে চারটি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

প্রত্যক্ষদোষীরা জানান, ২৬ মার্চ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটের সময় প্রথমে মজিদ আলির বাড়িতে আগুনের সুত্রপাত হয়। এরপর পাশের আজিজুল হক, পিতা দফাদার মণ্ডল,ইব্রাহীম আলি,পিতা মোঃ জামবার মণ্ডল,মোঃ সাইদুর রহমান,সহ পাশে আরও দুইটি বাড়িতে আগুন লেগে যায়।  এরপর স্থানীয়রা আগুন লেভাতে গিয়ে বার্থ হয় এবং তাৎক্ষণিক চারঘাট ফায়ার সার্ভিস ও বাঘা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে  চারঘাট ফায়ার  সার্ভিসের একটি ইউনিট আসে । পরে আগুন নিয়ন্ত্রনে না আনতে পেরে চারঘাট ফায়ার সার্ভিসের আরও একটি ইউনিট ও  বাঘা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট মোট তিনটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টার পরে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে ।

আগুনে ক্ষতিগস্থ বাড়ির মালিক মোঃ মজিদ আলী বলেন, আমি বাড়িতে ছিলাম না শুনে ছুটে এসে দেখি আমার বাড়িতে আগুন লেগে গেছে । তখন আমি চিৎকার করলে এলাকাবাসী এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন । তিনি বলেন আমার ঘরে প্রায়  দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ও ৭ ভরি স্বর্ণের গহনা ছিল সেগুলো আমি কিছুই পাই নাই।

০৪ নং মনিগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি খবর পেয়েই  ঘটনাস্থলে আসি এবং বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাপিয়া সুলতানা স্যারকে অবগত করি । তিনি আরও বলেন মোট ছয়টি বাড়িতে লেগে প্রায় ১৪-১৫ টি ঘর পুড়ে সব কিছু ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগস্থ পরিবারদের প্রতি উপজেলা প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

এবিষয়ে বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাপিয়া সুলতানা বলেন, মনিগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম আগুন লাগার খবর অবগত করার পরেই আমি ঘটনা স্থলে তাৎক্ষণিক আসি এবং শোকাহত পরিবার গুলোর প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করি ।

এদিকে চারঘাট ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, আমরা খবর পাওয়ার কিছু সময়ের মধ্যেই ঘটনা স্থলে পৌছায় এবং আমাদের  দুইটা ইউনিট ও বাঘা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিটের লোকবল দিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পরে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। তিনি আরও জানান, মোট ছয়টি বাড়িতে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকার ক্ষয় –ক্ষতি হয়েছে বলে আমরা ধারনা করছি ।

স্ব.বা/বা

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *