জমে উঠছে রায়ঘাটি ইউপি নির্বাচন

রাজশাহী

স্টাফ রিপোর্টার: মোহনপুরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগামী ২৮ নভেম্বর। নির্বাচনে ৩ নং রায়ঘাটি ইউপিতে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীসহ ৪জন প্রার্থী প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। তারা হলেন নৌকা প্রতীকে মনোনীত বাবলু হোসেন, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সুরঞ্জিত কুমার সরকার ও আক্কাস আলী সরদার এবং বিএনপি সমর্থক প্রার্থী রোস্তম আলী। নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে প্রার্থীদের একে অন্যে বিরুদ্ধে প্রচারনায় ভয়ভীতি প্রবণতা বাড়ছে এবং পাশাপাশি দিনদিন জমে উঠতে শুরু করেছে রায়ঘাটি ইউপি নির্বাচন। তবে সুষ্ঠ নির্বাচণের পরিবেশ বজায় রাখতে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সকল স্বতন্ত্রপ্রার্থীরা।

জানতে চাইলে সুরঞ্জিত সরকার বলেন, আমি ২০১৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী ছিলাম। দলীয় নেতৃবৃন্দ আমার নির্বাচনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আমাকে ফেল করিয়ে বিদ্রোহীকে পাস করায়। এবারের নির্বাচনে সেই বিদ্রোহী প্রার্থীর ছেলেই মনোনয়ন পেয়েছেন। তবে অচেনা মুখ হিসেবে তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেননি। আমার জনপ্রিয়তায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে আমার প্রচারণায় বাধা সৃস্টি করছেন।

আক্কাস আলী সরদার বলেন, নির্বাচনের সূষ্ঠ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনিক সহযোগিতা জরুরুী। আমি বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। স্বচ্ছ ভোট হলে আমিই বিজয়ী হবো। তবে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন কিনা এ নিয়ে সংশয়ে রয়েছি। এজন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

স্বতন্ত্র চেয়্যারমান প্রার্থী রোস্তম আলী প্রাং বলেন, রায়ঘাটি ইউনিয়ের মানুষের সেবা প্রদানের লক্ষে এবার আমি চেয়্যারমান পদে নির্বাচন করছি। আমার গ্রামের (লালোইচ) ২ টা ওয়ার্ডে আমি একাই চেয়্যারমান প্রার্থী, তাদের চাওয়ায় আমার নির্বাচনে অংশ নেওয়া। এলাকার উন্নয়নের কাজে ও জনস্বার্থে আমার পরিবার জমিদানসহ অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন, এতে জনগন আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট। তিনি আরো বলেন, আমি মানুষের মাঝে সেবাই নিয়জিত থাকি, আমি জনগনের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাচ্ছি। আমার প্রচারণায় এখনো কেউ বাধা প্রদান করে নাই। নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমি এবার রায়ঘাটি ইউপিতে বিপুল ভোটে চেয়্যারমান হিসেবে নির্বাচিত হবো ইনশাআল্লাহ।

অন্যদিকে নৌকার মনোনীত প্রার্থী বাবলু হোসেন বলেন, নিজের প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছি। ব্যাপক জনসমর্থনের মাধ্যমে নির্বাচনে বিজয়ী হবো। তবে কেউ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালালেও তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিগত দিনে এই ইউনিয়নে আমার পিতা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি এ ইউনিয়নের ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছেন। বরাবরের মতো ইউনিয়নবাসী সবসময় শিক্ষিত, যোগ্য এবং তরুণ নেতৃত্ব খুঁজেছেন। এবার আমাকে পেয়ে তারা ব্যাপক খুশি হয়েছেন এবং তারা আমাকে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করবেন। উন্নয়নের প্রতীক নৌকা হওয়ায় এবং নৌকার ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীরা বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। ইউনিয়নবাসী এখন যথেষ্ট সচেতন। তাদেরকে বোকা বানানো সম্ভব নয়। তাই নৌকার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেও কোন লাভ নাই।

 

স্ব:বা/না

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *