রাজশাহীতে এশিয়ান ডায়াগনস্টিক সেন্টার চিকিৎসার নামে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা

রাজশাহী

স্টাফ রিপোর্টার: উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে এসে অনেকে নানা বিড়ম্বনা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

বিভিন্ন জেলা থেকে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে চিকিৎসা না পেয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ১৫/২০ জন দালাল দলে বিভক্ত হয়ে প্রায় রোগীদের নানা বিড়ম্বনায় ফেলে এশিয়ান ডায়াগনস্টিক সেন্টার হাসপাতাল জিম্মি করে রেখেছে। তাদের দাপটে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নির্বিঘ্নে সেবা দিতে পারছে না। আমাদের অনুসন্ধানে এমন সব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকরা দালাল চক্রকে পৃষ্ঠপোষকতা করে।এদের মধ্যে এশিয়ান ডায়াগনস্টিক সেন্টার অন্যতম নাম।

এ ছাড়া হাসপাতালের কিছু কর্মচারীও দালালদের সঙ্গে সম্পৃক্ত। হাসপাতাল সংলগ্ন লক্ষ্মীপুর এলাকার বেশ কয়েকজন দালালদের সহযোগিতা করে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য শরীফ ও জাহিদ । গত ২৯ তারিখে, জাহিদ, পুলিশের হাতে গ্রফতার হন। তবে থেমে নেই তাদের দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য। এশিয়ান ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জাহিদ নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিতেন এবং রোগীদেরকে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ঔষধ লিখে দিতেন।কিন্তু সেই আসলে কোন ডাক্তার নয় দালাল চক্রের মূল হোতা।

জাহিদ আটকের পর এশিয়ান ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন সিভিল সার্জন।কিন্তু বাহির থেকে বন্ধ দেখা হলেও ভিতরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দেদারছে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং রোগীদেরকে প্রতারণার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এশিয়ান ডায়াগনস্টিক সেন্টার। দালালদের মাধ্যমে রোগীদেরকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়া এবং ভালো চিকিৎসার নামে চলছে প্রতারণা।

এ বিষয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে। হাসপাতাল থেকে দালাল উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানান অনুসন্ধানকারী প্রতিবেদককে। এ বিষয় মোঃ শরিফ হোসেন কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন মোঃজাহিদ ডাক্তার তিনি ঠাকুরগাঁ থেকে পড়াশোনা করেছেন, প্যাথলজি ডিপারমেন্ট এর ফুল ডাক্তার,তিনি আরো বলেন রাজপাড়া থানা তাকে ডেকে নিয়ে আটক দেখায়, সে ১৬ দিন ধরে জেল হাজতে আছেন।

তিনি আরো বলেন মোঃজাহিদ হোসেন ও আমি দুই জন এশিয়ান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শেয়ার দার আমার ১৪/১৫ লক্ষ টাকা দিয়েছি এবং আমরা পার্টনারশিপ এ ব্যবসা করি।স্থানীয় লোকজন আমাদের এখানে দালালি করে কিন্তু চুরি করে তো আর খায়না। জাহিদ জেলে কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন মানুষ ষড়যন্ত্র করে মোঃজাহিদ কে ধরিয়েছে।

 

স্ব:বা/না

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *