স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে সমালোচিত ইরফান পাঠান

খেলাধুলা

স্বদেশবাণী ডেস্ক:  স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে ভারতের সাবেক পেসার ইরফান পাঠানের একটি ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় চলছে।  ছবিটি ঘিরে ইরফানের সমালোচনায় মেতে উঠেছেন নেটিজেনরা।

ইরফানের পোস্ট করা সেই ছবিতে দেখা গেছে, ছেলেকে কাঁধে তুলে স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি।  পাশেই ইরফানের স্ত্রী সাফা বেইগ।  তবে সাফার মুখ এডিট করে ঝাপসা বা ব্লার করে দেওয়া হয়েছে।  তাই চোখ আর অবয়ব ছাড়া ইরফানের স্ত্রীকে চেনার জো নেই।

পর্দা মেনে চলা স্ত্রীর মুখ ঝাপসা করে পোস্ট দেওয়ায় ইরফানের সমালোচনা হচ্ছে।  নেটিজেনদের প্রশ্ন— স্ত্রীকে প্রকাশ্যে আনতে না চাইলে ছবিই বা পোস্ট করলেন কেন ইরফান! আর পোস্টের পর ছবি ঝাপসাই বা করলেন কেন?

এমন সব সমালোচনার পর অবশেষে মুখ খুলতে বাধ্য হলেন ইরফান পাঠান।

৩৬ বছর বয়সি তারকা এক টুইটবার্তায় নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।  তারকা এই পেসার জানান, তিনি ছবি ঝাপসা করেননি, তার স্ত্রী নিজের ইচ্ছাতেই ছবিটি ঝাপসা করে দিয়েছেন।

ইরফান সেই সমালোচিত ছবিটি টুইটারে পোস্ট করে লেখেন— ‘এই ছবিটি আমার রানি আমার ছেলের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করেছিল।  এর জন্য আমাদের ওপর প্রচুর ক্ষোভ, ঘৃণা উগরে দেওয়া হচ্ছে। আমি ছবিটি এখানেও পোস্ট করছি।  পরিষ্কার করে সবাইকে আমি জানাচ্ছি, আমার স্ত্রী নিজের ইচ্ছেতে ছবিটি ঝাপসা করেছে।  আরও একটা জিনিস পরিষ্কার করি, আমি ওর সঙ্গী, ওর মাস্টার নই।’

এর পর স্ত্রীর জীবন তার (স্ত্রী) পছন্দ বলে একটি হ্যাসট্যাগ দেন ইরফান।

উল্লেখ্য, ইসলামের পর্দাপ্রথা যথাযথ মেনে চলেন ইরফান পাঠানের স্ত্রী সাফা বেইগ।  এর আগেও অবশ্য বহুবার সোশ্যাল মিডিয়াতে পাঠানের স্ত্রীকে দেখা গেছে।  প্রতিবারই হিজাব পরে তিনি প্রকাশ্যে এসেছেন।  যে কারণে তার মুখমণ্ডল স্পষ্ট হয়নি কখনও।

আর প্রতিবারই তাকে ও তার স্বামী ইরফানকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল।  এবারের ছবিতে যেহেতু হিজাব ছিল না, তাই ছবি পোস্ট করার আগে নিজেই নিজের মুখ আবছা করে দিয়েছিলেন সাফা বেইগ।

অন্যবারের মতো এবারও সমালোচনার মুখে পড়েন এ দম্পতি।

তবে এবার এমন বক্তব্য দিয়ে ইরফান জানিয়ে দিলেন যে, তার স্ত্রীর ধর্মীয় আবেগে ও ধর্ম পালনে কখনই বাঁধা হয়ে দাঁড়ান না তিনি।

তথ্যসূত্র: টুইটার, হিন্দুস্তান টাইমস।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *