মাঠে সাকিব গ্যালারিতে শিশির সামাজিক মাধ্যমে ঝড়!

খেলাধুলা

স্বদেশবাণী ডেস্ক: দল হারছিল, তবুও কেকেআর একাদশে সুযোগই পাচ্ছিলেন না সাকিব আল হাসান। অবশেষে দীর্ঘদিন পর মাঠে ফিরেই দারুণ খেলেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তারই মধ্যে মাঠের বাইরে ঝড় তুললেন তাঁর স্ত্রী উম্মে আহমদ শিশির।
বেশ কয়েকটি ম্যাচে কলকাতা দলের রিজার্ভ বেঞ্চে বসে থাকা সাকিব সুযোগ পান রোববারের ম্যাচে। একাদশে সুযোগ পেয়েই তা কাজে লাগান এই টাইগার তারকা। দুর্দান্ত বোলিং করে ভূমিকা রাখেন দলের জয়েও।
তা সত্ত্বেও আলোচনায় তাঁর স্ত্রী তিন সন্তানের জননী উম্মে আহমদ শিশির। রোববারের ওই ম্যাচে টিভির পর্দায় বেশ কয়েকবারই উৎফুল্ল-উচ্ছ্বসিত অবস্থায় দেখা যায় সাকিবপত্নীকে। গ্যালারীতে রীতিমত ঝড় তোলেন এই লাস্যময়ী মডেল তারকা।
তবে আলোচনায় আসার বিশেষ কারণটা হলো- তাঁর দিকে এক কেকেআর সমর্থক যেভাবে ‘তাকিয়ে ছিলেন’- তা নিয়েই মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোরগোল পড়ে যায়।
শিশিরেই সেই ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার হতেই বয়ে যায় কমেন্টের ঝড়! কেউ কেউ লেখেন, ‘ভাবির দিকে এমনভাবে তাকিয়ে আছেন কেন?’ কেউ কেউ তো আবার বললেন, শাকিবকে এখনও চেনেন না।
ওইদিন রাতে আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ বনাম কেকেআরের ম্যাচ দেখতে দুবাইয়ের মাঠে হাজির ছিলেন শিশির। যে ম্যাচে দীর্ঘদিন পর কেকেআরের প্রথম একাদশে সুযোগ পান সাকিব। চার ওভারে ২০ রান দিয়ে এক উইকেট নেয়ার পাশাপাশি দুর্দান্ত এক থ্রোতে রান-আউটও করেন টাইগার তারকা। যা কেকেআরের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন রাখে।
তারপরই সোমবার কেকেআরের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শিশিরের একটি ছবি পোস্ট করা হয়। তাতে দেখা যায়, নাইটদের জার্সি গায়ে ম্যাচ দেখছেন শিশির। হাততালিও দিচ্ছেন।
নিছকই পারিবারিক সেই ছবি সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে নেটিজেনদের। একজন তো শিশিরের পিছনে বসে থাকা তিনজনের ছবিতে লাল গোল চিহ্ন দিয়ে ছবি পোস্ট করেন। সেই ছবিতে একজন লেখেন, ‘আমি এটাই কমেন্ট করতে আসছিলাম। তাকাইছে কেমনে।’
অপর এক নেটিজেন লেখেন, ‘পিছনের লোকগুলো খেলা দেখছে, নাকি আমাদের ভাবিকে দেখছে?’ একইসুরে আরেকজন লেখেন, ‘ভাবির দিকে এমন তাকাইসোস কে?’
কয়েকজন তো আরও একধাপ এগিয়ে গিয়ে লেখেন, ‘সাকিব ভাই দেখা করবে তোমার সঙ্গে।’ অপর একজন লেখেন, ‘সাকিব ভাইকে এখনও চিনো নাই বাছাধন!’

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *