তানোরের হাজী সালাউদ্দিনের পুত্র তারেকের কান্ড

রাজশাহী

তানোর প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোর থানা মোড়ের মেসার্স রুচিতা হোটেল এ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এর স্বত্ত্বাধিকারী হাজী সালাউদ্দিন সরদারের পুত্র তারেক সরদারের বখাটেপনার ভয়ে মেধাবী এক স্কুল ছাত্রীর স্কুলে লেখাপড়া বন্ধ হতে চলেছে ইতমধ্যে কোচিং সেন্টারে পড়তে আশা বন্ধ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকার অভিভাবক মহলে চরম অসন্তোষের সৃস্টি হয়েছে উঠেছে সমালোচনার ঝঢ়। অন্যদিকে ওই ছাত্রীর সহপাঠীরা বখাটে তারেককে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে।

স্থানীয়রা জানায়, তানোরের তালন্দ ইউপির মোহর গ্রামের জনৈক ব্যক্তির কন্যা ও মোহর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী তানোর পৌর সদরের একটি কোচিং সেন্টারে (প্রাইভেট) লেখাপড়া করছে। এদিকে ওই ছাত্রী প্রতিদিন কোচিং সেন্টারে আশা-যাওয়ার পথে হাজী সালাউদ্দীনের পুত্র তারেক তার কাছে প্রতিনিয়ত প্রেম নিবেদন করেও কোনো সাড়া পেতে ব্যর্থ হয়। কিšত্ত তার পরেও তারেক তার পিছু ছাড়েনি নানাভাবে উক্ত্যক্ত ও এসিড ছোড়ার হুমকি দেয় তাতেও কোনো কাজ না হলে তারেক এবার ওই ছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবার পরিকল্পনা করেন বলে এলাকায় ব্যাপক প্রচার রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চলতি বছরের ২২ নভেম্বর বৃহ¯প্রতিবার দিবাগত রাতে তারেক তার বন্ধুদের নিয়ে ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে মোহর গ্রামে ওই ছাত্রীর বাড়ির পাশে অবস্থান নেয়। এ সময় তাদের অবস্থান সন্দেহজনক হলে গ্রামবাসি তাদের ঘোড়াডুবি মোড়ে নিয়ে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে হাজী সালাউদ্দন পুলিশ নিয়ে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। এ সময় সেখানে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে বিপুল সংখ্যক উৎসুক মানুষের উপস্থিতি ঘটে।

এদিকে এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর পরিবার সমাজে মানসম্মানের ভয়ে থানায় কোনো অভিযোগ করেননি। অথচ হাজী সালাউদ্দীন উল্টো ছাত্রীর পরিবারের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে। সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসি এ ঘটনায় সরেজমিন তদন্তপূর্বক আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, আর কত ছাত্রীর লেখাপড়া বন্ধ হলে প্রশাসনের ঘুম ভাঙ্গবে না কি সমাজে গরীব হলে তারা কোনো বিচার পাবে না। এব্যাপারে মোহর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রমজান আলী বলেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা যেখানে বখাটে ছেলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা সেখানে উল্টো ছাত্রীর পরিবারের বিরুদ্ধে হচ্ছে থানায় জিডি। তিনি এবিষয়ে বিভিন্ন মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.