তানোর ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও তোলপাড়

রাজশাহী লীড

তানোর প্রতিনিধি:
রাজশাহীর তানোরে আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ঘেরাও করার খবরে উপজেলা প্রশাসনে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সেলিনা আক্তাকে আপত্তিকর মন্তব্য করার কথিত অভিযোগে উপজেলা চেয়ারম্যানের অফিস সহকারী তৌফিকের বিচারের দাবিতে তারা বৃহ¯প্রতিবার দুপুরে ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও করেন। এ সময় ইউএনও চৌধূরী মোহাম্মদ গোলাম রাব্বাী অফিসে ছিলেন না। উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয় ঘেরাও করার খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা পরিষদের কর্মকর্ত-াকর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। আনসার ও ভিডিপি কর্মকতার এমন আচরণে উঠেছে সমালোচনার ঝড়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চলতি বছরের ৩০ নভেম্বর বৃহ¯প্রতিবার দুপুরে ও ৩ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার এবং উপজেলা কোম্পানী কমান্ডার সেকেন্দার আলীর নেতৃত্বে প্রায় দুই শতাধিক আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা মারমূখী হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে সমবেত হয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য ও বিচার দাবি করলে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় খবর পেয়ে থানা পুলিশ গিয়ে তাদের সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

এদিকে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা উপজেলা পরিষদের একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে উপজেলার শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে সমবেত বা কার্যালয় ঘেরাও কিভাবে করে সেটাই তো উদ্বেগের বিষয়। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি কওে তুলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের অফিস সহকারীর যদি কোনো অপরাধ করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করে বিচার চাইতেই পারে।

কিন্তু তারা তা না করে উপজেলার শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করতে পারেন না এটার জন্য অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন তাদের দেখে যেনো অন্যরা সতর্ক হয়। তিনি বলেন, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা কোন শক্তির জোরে এমন দুঃসাহস দেখায়।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৌধূরী মোহাম্মদ গোলাম রাব্বাী বলেন, এসব নিয়ে খবর করার কিছু নাই, তাদের মধ্যে ভূল বোঝাবুঝি হয়েছিল সেই সমস্যার সমাধান করে দেয়া হয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা কোম্পানী কমান্ডার সেকেন্দার আলী বলেন, তিনি শুধুমাত্র আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সেখান থেকে সরিয়ে নিতে গিয়েছিলেন। এব্যাপারে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সেলিনা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও মুঠোফোনে কল গ্রহণ না করায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.