বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি করেনা: শফিকুল হক মিলন

রাজশাহী লীড

স্টাফ রিপোর্টার:
আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে করণীয় বিষয় নিয়ে পবার হরিয়ান ইউনিয়নের চর খানপুর ও চরখিদিরিপুরে গতকাল বেলা ১১টার দিকে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন হরিয়ান ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডেও সিনিয়র বিএনপি নেতা রজত আলী। প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও পবা-মোহনপুর থেকে বিএনপি, ২০ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্ট মনোণীত প্রার্থী এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাজপাড়া থানা বিএএপি’র সভাপতি শতকত আলী, শাহ্ মখ্দুম থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হানুর আলম রায়হান ও রাসিক সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলর সামসুন্নাহার।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অত্র ইউনিয়নের বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মাজদার আলী, সাধারণ সম্পাদক আবু আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক লাল্টু, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি হাশেম আলী, সাধারণ সম্পাদক আল রশিদ বিএনপি’র সিনিয়র নেতা আলহাজ¦ মহসিন আলী, জাটু শেক, মজিবুর রহমান, শাহ আলম সোরমান, মাইনুল, বুলু খান, নিয়াজ উদ্দিন, দিলসাদ, মাজদার আলী, সেন্টু, আবু বাক্কার, আজিজুল ও দেনাজ, পবা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আলী হোসেন, হরিয়ান ইউপি বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আলমগীর হোসেন, বর্তমান সভাপতি আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পদক শামসুল আলম, রাজশাহী জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, সদস্য শহিদুল ইসলাম, পবা থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। আরো উপস্থিথ ছিলেন, ৮নং ওয়ার্ড যুবদলের যুবনেতা আইতুল্লাহ, জাটু শেক, ফিরোজ, শাহ আলম, ইলিয়াস, মানিক চাঁদ, মামুন, হিকমত, আমিরুল, জিয়াউল, বেলাল ও জুয়েলসহ অত্র ইউনিয়নের বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিএনপি সমর্থকগণ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিলন বলেন, বিএনপি সর্বদা উন্নয়নের রাজনীতি করে। দেশের যত উন্নয়ন হয়েছে বিএনপি আমলে হয়েছে। বিএনপি কখনো প্রহিহিংসা ও অন্যায়ের রাজনীতি করেনা। এই জন্য বিএনপি দেশব্যাপি এত জনপ্রিয়। বিএনপি শুধু দেশে নয় বিশে^ও নিকট একটি সুসংগঠিত এবং সুশৃংখল দল। আর গণতন্ত্রের মানষকন্যা ইতোমধ্যে তাঁর কর্মদক্ষতা, দেশের জনগণের প্রতি ভালবাসা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোসনীন থাকায় ল্যানসেন ম্যান্ডোলে পরিণত হয়েছে। সেইসাথে দেশের জনগণের মাতাতে পরিণত হয়েছে। বিএনপি সর্বদা জনিপ্রিয়তার শীষে ছিল এখনো রয়েছে। এই জনপ্রিয়তা দেখে এই অবৈধ ও ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রধানমন্ত্রী প্রতিহিংসা পরায়ন হয়েছে বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা অন্ধকার কারাগারে রেখেছে। বিএনপি, ২০দলীয় জোট ইচ্ছা করলে বেগম জিয়াকে কঠোর আন্দালনের মাধ্যমে কারাগার থেকে বের করে নিয়ে আসতে পারত। কিন্তু বেগম জিয়া সহিংসাতা না কওে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করার নির্দেশ প্রদান করায় বিএনপি ধর্য্যধারণ করে আছে। এখন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী হয়ে বেগম জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করেত হবে।

মিলন আরো বলেন, এই নির্বাচন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তারেক জিয়াকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসার নির্বাচন। এই নির্বাচন দেশে গণতন্ত্র পুণরুদ্ধার ও দেশের মানুষের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার নির্বাচন। এই নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হলে ঘরে বসে না থেকে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ধানের শীষে ভোট প্রদান করার জন্য নেতাকর্মীসহ সাধারণ ভোটারদের আহবান জানান তিনি। সেইসাথে ভোটের পুর্বেও দিন এবং ভোটের দিন ভোট গণনা না হওয়া পর্যœত ভোট কেন্দ্র পাহারা দেওয়ার জন্য সাহসী ও পরিশ্রমী নেতাদের সমন্বয়ে সেন্টার কমিটি গঠন করার পরামর্শ দেন মিলন।

সভার সভাপতিসহ উপস্থিত নেতৃবৃন্দ এই চরে ধানের শীষের বিজয়ের জন্য জীবন দিতে হলে দ্বিধা করবে না বলে উল্লেখ করেন। সেইসাথে কেউ জাল ভোট ও জোর করে ভোট প্রদান করতে আসলে ছেড়ে কথা বলবেন না বলে তারা জানান।

বর্ধিত সভা শেষে মিলন সবাইকে নিয়ে অত্র দুই গ্রামের ভোটার সাথে কুশল বিনিময় করেন। গ্রামের নারী পুরুষ সকলেই মিলনকে সাদরে গ্রহন করেন এবং মাথায় হাত দিয়ে দোয়া করেন। সেইসাথে যতই বাধা আসুক সকল বাধা অতিক্রম করে ধানের শীষে ভোট প্রদান করবেন তারা প্রতিশ্রুতি দেন। মিলন দুইটি পাড়ার প্রতিটি বাড়ি বাড়ি যান এবং সকলের সাথে সাক্ষাত ও কুশল বিনিময় করেন।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.