রাবির ভর্তি পরীক্ষা: আবেদন করেছে ৩ লাখ শিক্ষার্থী

লীড শিক্ষা

স্বদেশবাণী ডেস্ক: আগামী ১৪ জুন থেকে শুরু হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে অনার্স (সম্মান) শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষা। ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন গত ৭ মার্চ দুপুর ১২টায় শুরু হয়ে শেষ হয়েছে গতকাল (১৮ মার্চ) দুপুর ১২টায়। ভর্তি পরীক্ষায় সর্বমোট আবেদন করেছে ৩ লাখ ৫ হাজার ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। এখান থেকে বাছাইকৃত তিনটি ইউনিটে সর্বোচ্চ ৪৫ হাজার করে শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে এ তথ্যটি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক বাবুল ইসলাম।

পরিচালক জানান, এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ‘এ’ ইউনিটে প্রাথমিক আবেদন জমা পড়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ২১৭টি। যার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে আবেদন ৫৭ হাজার ১৭০টি, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ১০ হাজার ২৭৫টি এবং মানবিক বিভাগ থেকে ৪৮ হাজার ৮০২টি। ‘বি’ ইউনিটে আবেদন করেছে ৬৮ হাজার ৬১৮টি। যার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩০ হাজার ৭টি, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ২০ হাজার ১৯৩টি এবং মানবিক থেকে ১৮ হাজার ৪১৮টি। ‘সি’ ইউনিটে আবেদন করেছে ১ লাখ ২০ হাজার ১৫৪টি। যার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১ লাখ ৩ হাজার ৬৯৩টি, মানবিক বিভাগ থেকে ১৩ হাজার ২৬৫টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৩ হাজার ১৯৬টি।

প্রাথমিক আবেদনের ফলাফলের বিষয়ে বাবুল ইসলাম বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা আগামী ২২ মার্চ রাতে প্রকাশ করা হবে।

জানা গেছে, এবারের ভর্তি পরীক্ষা ৩টি ইউনিটে অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১৪ জুন ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। এরপর ১৫ জুন ‘এ’ ইউনিট এবং সর্বশেষ ১৬ জুন ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। প্রতিটি পরীক্ষা তিনটি শিফটে হবে। তিন দিনেই ভর্তি পরীক্ষা শেষ হবে। প্রতি ইউনিটে ৪৫ হাজার ভর্তিচ্ছুর পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। প্রতিদিন ৩ শিফটে; প্রতি শিফটে ১৫ হাজার করে ভর্তিচ্ছুর পরীক্ষা নেওয়া হবে। ভর্তি পরীক্ষা সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা , দুপুর ১২ থেকে ১টা ও বিকেল ৩ থেকে ৪টা, এই ৩ শিফটে অনুষ্ঠিত হবে।

গতবছর লিখিত পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়া হলেও এ বছর শুধু বহুনির্বাচনী প্রশ্ন পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবারো দ্বিতীয়বার ভর্তির সুযোগ থাকছে না। তবে, জিপিএ এর উপরে আলাদা করে নাম্বার  না থাকলেও  বিভাগ পরিবর্তনের থাকছে সুযোগ।

বহুনির্বাচনি পদ্ধতিতে ১ ঘন্টা মেয়াদে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। এতে ৫টি ভুল উত্তরের জন্য ১ নম্বর কাটা যাবে। পরীক্ষায় নূন্যতম পাস নম্বর হবে ৪০।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *