দুই বাংলায় সাড়া ফেলেছে ‘বিনোদিনী রাই’

বিনোদন

স্বদেশবাণী ডেস্ক: দুই বাংলায় সাড়া ফেলেছে জনপ্রিয় গায়ক সাব্বির নাসির ও কলকাতার ‘সারেগামাপা’ খ্যাত গায়িকা সম্পা বিশ্বাসের গাওয়া গান ‘বিনোদিনী রাই’। গানটি সাব্বির নাসিরের ফেসবুক পেইজে শেয়ার দেবার পর অল্প সময়ের ব্যবধানে হাজার হাজার শেয়ার এবং লাখ লাখ ভিউ হয়েছে।

মিষ্টি প্রেমের এ গানের কথা লিখেছেন এবং সুর করেছেন প্লাবন কোরেশী। গানটির সংগীতায়োজন করেন রিয়েল আশিক।

গানটির গায়ক সাব্বির নাসির বলেন, ‘দুই বাংলার শ্রোতারা  ‘বিনোদিনী রাই’ ​এভাবে পছন্দ করেছেন দেখে খুব ভাল লাগছে। অনেক শ্রদ্ধাভাজন মানুষের কাছ থেকে এ গান ও গায়কীর প্রশংসা পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। প্লাবন দা, সম্পা বিশ্বাসের সাথে প্রথম কাজ। আশা করছি ভবিষ্যতে আরো কাজ হবে আমাদের। প্লাবন দা, সম্পা বিশ্বাস, রিয়েল, জাইম, প্রীতুল, আরেফ, আসিফ, সারওয়ার, জালাল ভাই, তুষার, ইভান, ফরিদ, ইমন সহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’

কণ্ঠশিল্পী সম্পা বিশ্বাস বলেন, ‘গানটি প্রকাশ হবার পর দুই বাংলা থেকেই বেশ সাড়া পাচ্ছি। সকলেই বলছে, গানটি একবার শোানার পর মনে হয় আরেকবার শুনি। এটাই তো শিল্পীর জন্য বড় এক প্রাপ্তি। গানের গীতিকার ও সুরকার প্লাবন কোরেশী ভাইকে এজন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। আর গায়ক সাব্বির নাসির ভাইয়ের সাথে এটা ছিল আমার প্রথম কাজ। আর প্রথম কাজেই সফলতা পেলাম।  এটা সত্যিই আনন্দের। এরপর আবার কাজ করতে চাই সাব্বির ভাই ও প্লাবন কোরেশীর সঙ্গে। আশা করছি, আমাদের পরের কাজগুলোও ‘বিনোদিনী রাই’ -এর মত শ্রোতাপ্রিয় হবে।’

​এ গানের সুরকার ও গীতিকার প্লাবন কোরেশী বলেন, ‘সম্পা বিশ্বাস ভারতের গায়িকা হলেও আমরা আমাদের দেশীয় মাটি, মানুষের সুরকে প্রাধ্যান্য দিয়ে ‘বিনোদিনী রাই’ গানটি করেছি। বিশ্বায়নের যুগে হয়ত মডার্ণ বাদ্যযন্ত্র আমরা ব্যবহার করি তবে আমরা আমাদের মাটি ও মাকে ভুলে যেতে চাই না। অপসংস্কৃতির ভীড়েও আমি এ চেষ্টাটি সব সময় করি। সেই জায়গা দেখেই গানটি করা। দুই বাংলায় গানটি শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। পরবর্তীতেও সাব্বির ভাই ও সম্পা বিশ্বাসকে নিয়ে আরও নতুন কাজ করতে চাই।’

১১ এপ্রিল সংগীতশিল্পী সাব্বির নাসিরের ইউটিউব চ্যানেলেও গানটি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানেও গানটি ৫ লাখের বেশি ভিউ হয়েগেছে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *