দেশের ৮৩৫ ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ শেষ

জাতীয়

স্বদেশবাণী ডেস্ক : বিচ্ছিন্ন সহিংসতার মধ্য দিয়ে দেশের ৮৩৫ ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। চলছে গণনা। এরআগে ভোট গ্রহণের সময় সহিংসতায় চার জেলায় ৬ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে নরসিংদীতে ৩ এবং কুমিল্লা, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে ৩ জন মারা গেছে। আহত হয়েছে অর্ধশতাধিক। তবে বেশিরভাগ কেন্দ্রে সকাল থেকে ভোটারদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো।

প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে জানা গছে, নরসিংদীর রায়পুরার প্রত্যন্ত চরাঞ্চল বাঁশগাড়ীতে ভোটগ্রহণ চলার সময় দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়। গুলিবিদ্ধসহ নিহত হয়েছে ৩ জন। স্থানীয়রা জানায়, নৌকা ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে।

কক্সবাজারে মারা গেছে একজন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, খুরুশকুল কেন্দ্রে জোর করে সিল মারার চেষ্টা করলে বাধা দেন সদস্য প্রার্থী শেখ কামালের ভাই আক্তারুজ্জামান। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষে সংঘর্ষ বাধে। আহত আক্তারুজ্জামানকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে সহিংসতায় মারা গেছে একজন। লেলাং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গোপালঘাটায় আনন্দবাজারে সংঘর্ষ হয়। এতে মারা যান স্থানীয় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সফি।

কুমিল্লার মানিকচরের আসিরাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা চালায় বহিরাগতরা। এ’সময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ হয়। আহত তিন জনকে উদ্ধার করে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নে কাশিয়াবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দিতে এসে ধরা পড়ে ২ যুবক। এ’সময় পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার হয়।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্রে ভোট কেন্দ্র দখল করা নিয়ে সংঘর্ষ হয়। পরে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয় প্রশাসন।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার তুলাসার ও আংগারিয়া ইউনিয়নের ৪টি কেন্দ্রে নির্বাচনী সহিংসতায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধায় কেন্দ্রে হামলা, ব্যালট বাক্স ও পেপার ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

এছাড়া শেরপুর, নেত্রোকোনা ও পটুয়াখালিসহ বেশ কয়েকটি স্থানে অগ্নি সংযোগ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আটক করা হয়ছে অনেককে।

এদিকে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। কোনো কোনো কেন্দ্র পুরুষের চেয়ে নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিলো বেশি।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *