যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংগঠন সাবা’র শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

রাজশাহী

স্টাফ রিপোর্টাঃ যুক্তরাষ্ট্র থেকে পরিচালিত সেচ্ছাসেবী সংগঠনসো শ্যাল এসোসিয়েশন ফর বাংলাদেশ এ্যাডভান্সমেন্ট-সাবা’র পক্ষ থেকে অসহায় মানুষের মাঝে শীতের কম্বল বিতরণ করেছে। শুক্রবার সকালে রাজশাহীতে প্রায় দুই শতাধিক প্রতিবন্ধী, পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে শীত থেকে পরিত্রাণ পেতে কম্বল দেওয়া হয়। একইসাথে করোনা সচেতনতায় মাস্কও বিতরণ করা হয় সাবার পক্ষ থেকে।

সকালে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল হাসপাতাল,লক্ষিপুর, রাজশাহীর সুপারিনটেনডেন্ট ডাক্তার বারিউল ইসলাম ও রাজশাহী কলেজের ভুগল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড: জহিরুল ইসলাম ফারুক।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবার রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক এস.এম. এমদাদুর রহমান সুমন, সাংবাদিক রুবেল,আব্দুল মুকিত, মাসুদ রানা তুষার, মুনু, নাদিম, জীবন, এস.এম. সোহানুর রহমান সোহান এবং প্রতিবন্ধীদের প্রতিনিধি ও সাবার নিবেদিত কর্মি শারমিন আক্তার দোলন সহ আরও অনেকে।

কনকনে ঠান্ডায় পদ্মা পাড়ের হতদরিদ্র মানুষ শীতের কম্বল পেয়ে মহাখুুশি।

সাবা’র প্রতিষ্ঠাতা ও নিউজবিডিইউএস’র সম্পাদক এস এম জাহিদুর রহমান জানান, শীতে সারা দেশের অসহায় মানুষ খুবই কষ্টে দিনতিপাত করছে। শীতের কষ্ট লাঘবে কম্বলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় উপকরণ বিতরণ করেছি। এসময় শীতার্তদের শীত বস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

চলতি বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক জাহিদুর রহমানের উদ্যোগে বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশী মিলে দুস্থ-অসহায় ও দেশ-জাতির কল্যাণের নিঃস্বর্থে কাজ করতে সাবা’র কার্যক্রম শুরু করে। বিশেষ করে সারা বিশ্বে করোনা মহামারীতে অসহায় মানুষের কথা ভেবে পথচলা শুরু করে তারা।

খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের মানুষের সহযোগিতা করে বেশ সাড়া ফেলে। বিশেষ করে উত্তারঞ্চলে সাবা’র কার্যক্রম দেখে অত্যন্ত খুশি সাধারণ মানুষ।

ইতোমধ্যে কয়েক হাজার দুস্থ মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে। গত আগষ্টে যখন উত্তারঞ্চলে বন্যায় মানুষ বাড়িঘর, দোকানপাট, বসতভিটা, জমি-জিরাত ও ফল-ফসল হারিয়ে যখন দুর্বিষহ কষ্ট করছিল। তখন চাল, ডাল, আলুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসমগ্রী নিয়ে শত প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে হাজারখানিক ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সহযোগিতা করে সাবা।

এছাড়া কর্মসংস্থানের জন্য মহিলাদেরকে সেলাই মেশিন কিনে দিয়েছে সেবামূলক সংগঠনটি। করোনা দুর্যোগে কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা ও খাদ্য সামগ্রী দিয়েছে।

এমনকি বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ব্যয়ভর গ্রহণের দায়িত্ব নিয়েছে তারা। আর করোনা সংকটকালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে দেশব্যাপী সাধারণ মানুষকে দিচ্ছে ফ্রি টেলিহেলথ সেবা।

স্ব.বা/,বা

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *