রাজশাহীতে ভেজাল খেজুর গুড় তৈরীর কারখানার সন্ধান,৭ জন গ্রেপ্তার

রাজশাহী লীড

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫০ মন ভেজাল খেজুরের গুড় জব্দ করা হয়েছে। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাতজনকে। রোববার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত বাঘা উপজেলার আড়ানী চকরপাড়া গ্রামের গোয়েন্দা পুলিশ এ অভিযান চালায়। সেখান থেকে ভেজাল গুড় তৈরীর বিভিন্ন উপকরণ সমগ্রী জব্দ করা হয়। সোমবার দুপুরে রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ সব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন জানান, ডিএসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরির কারখানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। সেখান থেকে ৫০ মণ ভেজাল খেজুরের গুড়, ভেজাল গুড় তৈরির বিভিন্ন উপকরণ সামগ্রী জব্দ করা ছাড়াও সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এরা হলেন, কারখানার মালিক রকিব আলী, সহযোগি সুমন আলী, অনিক আলী পাইলট, মাসুদ রানা, বিপ্লব হোসেন সাজু, মামুন আলী ও বাবু।

পুলিশ সুপার বলেন, ২/৩ মাস যাবৎ তারা এই কারখানায় চিনি, চুন, হাইড্রোজ, ফিটকেরি, ডালডা ও বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান মিশিয়ে ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরি করে আসছে। তারা এগুলো রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত করে থাকে। গুড় তৈরির ক্ষেত্রে তারা যে সকল রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে সেগুলো মানব স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ও জটিল রোগের সৃষ্টি করে। তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বাঘা থানায় মামলা করা হয়েছে। রাজশাহীতে ভেজাল খেজুর গুড় তৈরীর কারখানার সন্ধান, গ্রেপ্তার ৭

রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫০ মন ভেজাল খেজুরের গুড় জব্দ করা হয়েছে। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাতজনকে। রোববার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত বাঘা উপজেলার আড়ানী চকরপাড়া গ্রামের গোয়েন্দা পুলিশ এ অভিযান চালায়। সেখান থেকে ভেজাল গুড় তৈরীর বিভিন্ন উপকরণ সমগ্রী জব্দ করা হয়। সোমবার দুপুরে রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ সব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন জানান, ডিএসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরির কারখানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। সেখান থেকে ৫০ মণ ভেজাল খেজুরের গুড়, ভেজাল গুড় তৈরির বিভিন্ন উপকরণ সামগ্রী জব্দ করা ছাড়াও সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এরা হলেন, কারখানার মালিক রকিব আলী, সহযোগি সুমন আলী, অনিক আলী পাইলট, মাসুদ রানা, বিপ্লব হোসেন সাজু, মামুন আলী ও বাবু।

পুলিশ সুপার বলেন, ২/৩ মাস যাবৎ তারা এই কারখানায় চিনি, চুন, হাইড্রোজ, ফিটকেরি, ডালডা ও বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান মিশিয়ে ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরি করে আসছে। তারা এগুলো রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত করে থাকে। গুড় তৈরির ক্ষেত্রে তারা যে সকল রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে সেগুলো মানব স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ও জটিল রোগের সৃষ্টি করে। তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বাঘা থানায় মামলা করা হয়েছে।

স্ব.বা/বা

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *