তানোরের তালন্দ হাটের জায়গায় প্রশাসনের কর্মকর্তার পাকা ঘর নির্মাণ

বিশেষ সংবাদ রাজশাহী লীড

তানোর প্রতিনিধি: রাজশাহীর তানোর পৌর এলাকার তালন্দ হাটের জায়গা দখল করে রাতের আধারে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই প্রশাসনের কর্মকর্তার বাড়ি তালন্দ হরিদেবপুর গ্রামে। জায়গা দখল করে ঘর তুলতে সার্বিক সহযোগিতা করছেন একই এলাকার প্রভাবশালী ক্ষমতা সীন দলের নেতা ও তালন্দ এএম উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ওই কর্মকর্তার চাচা মোজাম ওরফে মোজাম্মেল এবং তার পিতা আবুল কালাম । এঘটনায় ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

তালন্দ হাটের একাধিক ব্যবসায়ীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে সরেজমিনে দেখা যায়, তালন্দ হাটের মাছ বাজারের উত্তরে বিশাল আকারের পাকা ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ওই ঘরের পিছনের দেয়াল ঘেষে ইটের ওয়াল তুলছেন কয়েকজন মিস্ত্রি। তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয় হাটের জায়গায় কে ঘর নির্মাণ করছেন তারা জানান মোজামের ভাতিজা। তাদের নিজস্ব জায়গা। রাতে কেন কাজ করা হচ্ছে প্রশ্ন করা হলে বলেন রবিবার থেকে রোজা এজন্য দ্রুত কাজ করছি। অবশ্য ওই সময় ঘর নির্মাণ কারিরা কেউ ছিল না।

জানা গেছে, তালন্দ ইউপির বিসিআইসির সার ডিলার রতন বা সুমন কুমার সীলের নতুন গুদাম ঘরের পিছনের ওয়াল ঘেষে পাকা ঘর নির্মাণ করছেন পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা ওবাইদুর রহমান মুকুল। তিনি নির্মানাধী জায়গায় না থাকলেও তার পিতা আবুল কালাম ও চাচা মোজাম যাবতীয় সব কিছু করছেন।

মোজামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান জায়গাটি আমার ভায়ের।দীর্ঘদিন ধরে পড়ে ছিল। এজন্য অনেকে মনে করেছে হাটের জায়গা। আপনারা রাতের আধারে কাজ করছেন কেন এবং দশ ফিট জায়গা সরকারের জানতে চাইলে তিনি জানান যদি সরকারের হয় তাহলে সরকার নিবে। আর যিনি ঘর নির্মাণ করছেন তিনি তো সরকারি কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কিছু স্হানীয়রা জানান, ওবাইদুর রহমান মুকুল থানার ওসি। তিনি নানা বিতর্কিত। শহরে গড়েছেন আলিশান বাড়ি। তালন্দ বাজারে রয়েছে মার্কেট। তার দাপটেই বাব চাচারা নানা কিছু করে থাকে। এমনকি কি তাদের ভয়ে কেউ কিছুই বলতে পারেনা। তার ক্ষমতাকে পুঁজি করে তালন্দ বাজারে অনেক জায়গাও দখল করে স্হাপনা নির্মাণ করেছেন বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

তানোর সদর তহসিলদার লুৎফর রহমান জানান, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মাপজোক করে যদি হাটের জায়গার মধ্যে পড়ে তাহলে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

 

 

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *