টানা চার জয়ে সেমি নিশ্চিত করল পাকিস্তানও

খেলাধুলা

স্বদেশবাণী ডেস্ক : চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আরও একবার একসঙ্গেই হাসলো বাবর আজম আর মোহাম্মদ রিজওয়ানের ব্যাট। সুপার টুয়েলভে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে দুই ওপেনারের ঝোড়ো ফিফটিতে ভর করে পাকিস্তান পায় ১৮৯ রানের বড় সংগ্রহ। পরে জবাব দিতে নামা নামিবিয়াকে ১৪৪ রানে থামিয়ে দিয়ে ৪৫ রানের জয়ে ইংল্যান্ডের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমি নিশ্চিত করল বাবর আজমের দল।

আবুধাবিতে মঙ্গলবার রাতের ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে পাকিস্তান। বাবর-রিজওয়ান মিলে ৮৬ বল খেলে ওপেনিং জুটিতেই তোলেন ১১৩ রান। যদিও ওপেনিংয়ে এমন দুর্দান্ত জুটির পরও পুঁজিটা এত বড় হবে, কে ভেবেছিল? কেননা, কোনো উইকেট না হারালেও প্রথম ১০ ওভারে মোটে ৫৯ রান ছিল পাকিস্তানের। তবে শেষ ১০ ওভারে ২ উইকেট খুইয়ে আরও ১৩০ রান যোগ করে আনপ্রেডিক্টেবল দলটি।

পাকিস্তানের এই ওপেনিং জুটিই মূলত প্রতিপক্ষকে নাকাল করে ছাড়ছে। বাবর-রিজওয়ান এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ১০ উইকেটের জয় এনে দিয়েছিলেন দলকে।

ওই ম্যাচে তারা অবিচ্ছিন্ন ছিলেন ১৫২ রানে। দুই ম্যাচ বিরতি দিয়ে আরও একবার শতরানের জুটি বের হয়ে এলো এই দুই ব্যাটারের উইলো থেকে। যদিও শেষ পর্যন্ত ১৫তম ওভারে এসে এই জুটিটি ভাঙেন ডেভিড উইসে। তাঁকে তুলে মারতে গিয়ে বাবর ধরা পড়েন ডিপ মিড উইকেটে। ৪৯ বলে পাকিস্তান অধিনায়কের ৭০ রানের ইনিংসে ছিল ৭টি চারের মার।

পরের ওভারেই আরও একটি উইকেট তুলে নেয় নামিবিয়া। ফখর জামান জ্যান ফ্রাইলিংকের বলে ব্যাট স্পর্শ করালে এক হাতে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন নামিবিয়ান উইকেটরক্ষক জ্যান গ্রিন। পরে মোহাম্মদ হাফিজ এসে রিজওয়ানের সঙ্গে জুটি বেঁধে মাত্র ২৬ বলেই তুলে ফেলেন ৬৭ রান।

যাতে ১৬ বল খেলার হাফিজের অবদান ৩২ হলেও মাত্র ১০ বলে ৩৫ রান তোলেন রিজওয়ান। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত খেলে অপরাজিত থাকেন ৭৯ রান করে। প্রথম দিকে স্লো খেলা রিজওয়ানের ৫০ বলের এই ইনিংসে ছিল চারটি ছক্কা ও আটটি চারের মার। আর পাঁচটি চারের মারে দুইশ স্ট্রাইকরেটের ওই ইনিংস খেলেন প্রফেসর খ্যাত ৪২ বছর বয়সী পাক ব্যাটার।

জবাবে ক্রেইগ উইলিয়ামস ও ডেভিড উইসের ব্যাটে কিছুটা লড়াই করলেও পাকিস্তানি বোলিংয়ের সামনে তা যথেষ্ট প্রমাণিত হয়নি। যাতে মাত্র পাঁচটি উইকেট হারালেও ১৪৪ রানেই থেমে যায় এবারের বিশ্বকাপে চমক দেখানো নামিবিয়া।

দলটির পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৩ রান আসে উইলিয়ামসের ব্যাট থেকে আর ৩১ বলে ৪০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন ডেভিড উইসে। পাকিস্তানের পক্ষে একটি করে উইকেট লাভ করেন হাসান আলী, ইমাদ ওয়াসিম, হারিস রউফ ও শাদাব খান। তবে ম্যাচ সেরা হন মোহাম্মদ রিজওয়ান।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *