মোহনপুরের জাহানাবাদ ইউপি নির্বাচন আলোচনায় ২ প্রার্থী

রাজশাহী

মোহনপুর প্রতিনিধি: মোহনপুর উপজেলার জাহানাবাদ ইউপি নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের মাঝে আলোচনায় আছেন দুই প্রার্থী। এরা হলে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়্যারমান প্রার্থী হযরত আলী ও বর্তমান ইউপি চেয়্যারমান ও বিএনপি সমর্থক এমাজ উদ্দিন খান। এলাকাজুড়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হযরত আলীর ব্যানার, ফেস্টুন, মাইকিন, লিফলেট বিতরণসহ ব্যাপক প্রচারণা চলছে। তুলনামূলকভাবে বর্তমান চেয়ারম্যান ও বিএনপি সমর্থক এমাজ উদ্দিন খানের প্রচার-প্রচারণা কম হলেও সাধারণ মানুষদের মধ্যে ভালো সাড়া আছে।

গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত হয়রত আলী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এমাজ খানের কাজে পরাজিত হন। তবে এবার নির্বাচন মাঠে হযরত আলীর প্রচারণা সবার থেকে অনেক এগিয়ে। এদিকে এমাজ উদ্দিন খান বর্তামান চেয়্যারমান হওয়ায় ইউপির কাজে সময় দেওয়ায় নির্বাচনের মাঠে এখনো বেশি সময় দিতে পাচ্ছেন না, তবে জনগণ তার প্রতি সন্তুষ্ট আছে বলে তিনি মনে করায় বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার পরেও তিনি স্বতন্ত্র চেয়্যারমান পদে নির্বাচন করছেন।

আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়্যারমান প্রার্থী হযরত আলী বলেন, জাহানাবাদ ইউপিতে অনেক অসহায় মানুষ আছেন। তারা সকলে সরকারের অনুদান পায় না। আমি সরকারের কাছ থেকে সকল ধরনের অনুদান তাদের দেওয়ার লক্ষ্যে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। দলও আমার প্রতি আস্থা রেখে মনোনয়ন দিয়ে নৌকা প্রতিকের নির্বাচন করার সুযোগ দিয়েছেন। আমি নিজে নির্বাচনী সভাসহ জনগনের দারে দাবে গিয়ে ভোট চাচ্ছি, জনগনের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। আমি এতে মনে করি, এই ৬নং জাহানাবাদ ইউনিয়নের জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে চেয়্যারমান হিসেবে নির্বাচিত করবেন। এছাড়া আমার নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, ছাত্রলীগসহ সকল নেতা-কর্মীরা আমার হয়ে নির্বাচনী মাঠে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটের প্রচারণা চালায়ে যাচ্ছেন। এবার জাহানাবাদের মাটিতে আমার বিজয়, আওয়ামী লীগের বিজয় হবেই ইনশাআল্লাহ। আমার স্বপ্ন আছে চেয়্যারমান হওয়ার পর এই ইউপি উন্নয়নসহ সার্বিক দিক থেকে এই ইউনিয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।

এদিকে, চেয়্যারমান এমাজ উদ্দিন খান বলেন, এখানে আমি বিএনপির চেয়্যারমান হওয়ার পরেও সরকারের বরাদ্ধ ঠিক মতো পেয়েছি। আমি সরকারের অনুদান সঠিক ভাবে বিতরণ করেছি, এটা এই ইউপির সকল মানুষ জানেন। এখানে নিজে দুর্নিতি করি নাই, কাউকে কোন দুর্নিতি করতে দেইনি। দ্বায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এখন প্রচারণায় পর্যাপ্ত সময় দিতে পাচ্ছিনা। তবে আমার সকল ধরনের প্রচারণা চলছে। এখনো পর্যন্ত কেউ বাঁধা দেইনি। এই মুহুর্তে শেষ সময় পর্যন্ত কি ঘটবে বলতে পারছি না। তবে এই ইউপির মহিহার, পাকুরিয়া, বিষুহারা, ফতেপুর কেন্ত্রতে ঝুঁকির সম্ভাবনা দেখছি। এবারো সুষ্ঠ নির্বাচন হলে আমি চেয়্যারমান নির্বাচিত হবো এবং ইউপিবাসিকে সঠিক সেবা দিয়ে যাচ্ছি- যাবো।

অপরদিকে, বাঁকি ৪জন প্রার্থীর তেমন উল্লেখ্যযোগ্য জনসমর্থন দেখা যাইনি ৪জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলোয়ার হোসেনের একটি অফিস ও মাইকিন চলছে।

উল্লেখ্য তৃতীয় ধাপে ২৮ নভেম্বর জাহানাবাদ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

 

স্ব:বা/না

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *